logo

মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক দুপক্ষের সুবিধা অনুযায়ী: হুমায়ুন কবির

মার্কিন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক দুপক্ষের সুবিধা অনুযায়ী: হুমায়ুন কবির
সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। ছবি: বাসস

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনকে কেন্দ্র করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিউইয়র্ক সফরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সম্ভাব্য বৈঠক নিয়ে আলোচনা চলছে। দু’পক্ষের জন্য উপযুক্ত সময় ও সুযোগ মিললে এ বৈঠক হতে পারে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। তিনি বলেন, ‘এই সফরে ইউএনের অধিবেশনে যুক্ত হওয়ার জন্যই প্রধানমন্ত্রী এসেছেন।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে পৌঁছানোর পর সোমবার স্থানীয় সময় রাত ৯টায় ‘হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউ ইয়র্ক’ হোটেলের লবিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে চলতি মাসের শুরুতেও তিনি জানিয়েছিলেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্দী আমিন, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি ওয়াহিদুজ্জামান।

প্রসঙ্গত, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশ নিতে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে তুর্কি এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ও সফরসঙ্গীরা।

বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান ও যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম। এ সময় বিমানবন্দরে বিএনপির অনেক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন। বিমানবন্দর থেকে মোটর শোভাযাত্রা সহকারে প্রধানমন্ত্রীকে ‘হায়াত অ্যান্ড সেন্ট্রাল নিউইয়র্ক’ হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়। সফরকালে তিনি এখানেই অবস্থান করবেন।

প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরু করবেন ২২ সেপ্টেম্বর থেকে। এ দিন সকালে তিনি রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের জন্যে জাতিসংঘ মহাসচিবের আয়োজনে স্বাগত প্রাতঃরাশে যোগ দেবেন। এরপর তিনি এবারের অধিবেশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্য বিশ্বনেতার সঙ্গে অংশগ্রহণ করবেন। সন্ধ্যায় তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট আয়োজিত রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান এবং তাদের সহধর্মিণীদের সম্মানে অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।