নির্বাচিত সরকারের কাছে তিন দিনের মধ্যে ক্ষমতা হস্তান্তর: প্রেস সচিব

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হবে। সেটা তিন দিনের মধ্যেও হতে পারে। তবে ১৭, ১৮ ফেব্রুয়ারির পরে যাবে না।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রেস সচিব এসব কথা বলেন।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব বলেন, সবচেয়ে দ্রুত সময়ে (ক্ষমতা) হস্তান্তর হবে। যদি দেখা যায় তিন দিনের মধ্যে এমন হয় যে, সংসদ সদস্যরা শপথ নিয়েছেন। তারপর সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের লিডারকে (নেতা) ডাকা হচ্ছে যে, আপনি আসেন শপথ নেন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে। তিন দিনের মধ্যে এটা হয়ে যেতে পারে। ১৫, ১৬ ফেব্রুয়ারিতে হতে পারে। আমার মনে হয় না এটি ১৭, ১৮ ফেব্রুয়ারির পরে যাবে।
তিনি বলেন, নির্বাচনের আমেজ খুব উৎসবমুখর হচ্ছে। কোথাও তেমন কোনো সহিংসতা হয়নি। এবার বেশ ভালো নির্বাচন হবে।
এ সময় প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ মজুমদার বলেন, নির্বাচনের পর নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের কাছে যত দ্রুত সম্ভব দায়িত্ব হস্তান্তর করা হবে। এ বিষয়টি তিনি গতকালই জানিয়েছেন।
সরকার ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করেছে উল্লেখ করে প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, এই সরকারের আমলে রেকর্ড সংখ্যক আইন পাস হয়েছে। বাংলাদেশ থেকে গুম উঠে গেছে।
এর আগে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর জতীয় সংসদ সদস্যদের শপথ পড়াবেন কে— এ নিয়ে অবস্থান পরিষ্কার করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ইসি আব্দুর রহমানেল মাছউদ বৃহস্পতিবার দুপুরে জানান, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের পদ কার্যত শূন্য থাকায় সংবিধানের বিশেষ ধারা অনুযায়ী সিইসিই শপথ পড়ানোর দায়িত্ব পালন করবেন।
ইসি জানায়, সংবিধানের ১৪৮(১) ও ১৪৮(২) অনুচ্ছেদে স্পিকার বা তার মনোনীত ব্যক্তির মাধ্যমে শপথ পাঠের কথা বলা হলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে তা সম্ভব না হলে ১৪৮(২ক) অনুচ্ছেদ কার্যকর হবে।
এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, গেজেট প্রকাশের পর তিন দিনের মধ্যে স্পিকার বা তার মনোনীত কেউ শপথ না পড়ালে, পরবর্তী তিন দিনের মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিজেই শপথ পাঠ করাতে পারবেন।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণ করা হবে ১২ ফেব্রুয়ারি। একই দিনে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে।