logo

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে সংসদে আলোচনার দাবি রুমিন ফারহানার

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে সংসদে আলোচনার দাবি রুমিন ফারহানার

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে হওয়া বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে সংসদে আলোচনার দাবি জানিয়েছেন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। বুধবার (২৯ এপ্রিল) সংসদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষে এই দাবি তোলেন তিনি।

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের আগে হওয়া এই চুক্তি নিয়ে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘এতে বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী ধারা আছে বলে তখন আপত্তি উঠেছিল। আর সরকার চাইলে ৬০ দিনের মধ্যে এটি বাতিলও করতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘১২ ফেব্রুয়ারি আমাদের জাতীয় নির্বাচনের ঠিক তিনদিন আগে ৯ ফেব্রুয়ারি এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তিতে অনেকগুলো ক্লজ আছে যেটা বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী।’

নির্বাচনের পরে যখন একটি নির্বাচিত সরকার আসবে তখন যেন চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়, নিজের এমন প্রত্যাশা ছিল বলেও জানান রুমিন ফারহানা। তিনি বলেন, ‘আনফরচুনেটলি আমরা দেখলাম অন্তর্বর্তীকালীন সরকার শোনে নাই এবং ৯ ফেব্রুয়ারি এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।’

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের বৈঠক নিয়েও কথা বলেন এই সংসদ সদস্য। তিনি বলেন, ওই বৈঠকে বাণিজ্য চুক্তির বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। মার্কিন রাষ্ট্রদূত দুই দেশের মধ্যে আমদানি ও রফতানির ঘাটতি, বাংলাদেশের কৃষি ও জ্বালানি পণ্য আমদানির প্রতিশ্রুতি, দেশে ব্যবসার পরিবেশ উন্নয়ন এবং বিনিয়োগ আকর্ষণে নীতি সংস্কারের বিষয়গুলো তুলে ধরেছেন।

রুমিন ফারহানা বলেন, ‘দুই দেশের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে যে পরিমাণ পণ্য আমরা রফতানি করি, আমেরিকা থেকে সে পরিমাণ পণ্য আমরা আমদানি করি না, যে কারণে একটা বাণিজ্য ঘাটতি তৈরি হয়েছে বিরাট এবং এই বাণিজ্য ঘাটতি পূরণের লক্ষে বাণিজ্য চুক্তি হয়েছে।’ তবে চুক্তি স্বাক্ষরের ‘সময় নিয়ে’ আপত্তি জানান ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের এই স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য।