ডেপুটি-সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ

অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে সম্প্রতি ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছেন বিএনপিপন্থি আইনজীবীদের একাংশ। তারা দাবি করেছেন, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা হয়নি এবং এ বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।
রোববার (২ আগস্ট) অ্যাটর্নি জেনারেল অফিসের সামনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের ব্যানারে আয়োজিত এক প্রতিবাদ সমাবেশে এমন অভিযোগ তারা।
গত বৃহস্পতিবার সরকার ৮৬ জন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ১৭৯ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ দেয়। সমাবেশে বিএনপিপন্থি এই আইনজীবীদের অভিযোগ, এই নিয়োগকে কেন্দ্র করে প্রায় চার কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে।
একই সঙ্গে তারা দাবি করেন, নিয়োগপ্রাপ্তদের মধ্যে আওয়ামীপন্থি হিসেবে পরিচিত কয়েকজন আইনজীবী স্থান পেয়েছেন, অথচ বিএনপির ত্যাগী আইনজীবীদের অনেকেই বাদ পড়েছেন। এ ছাড়া সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কোনো প্রতিনিধিকে নিয়োগ না দেওয়ার অভিযোগও তোলা হয়।
সমাবেশে বক্তব্য দেন আইনজীবী আকতার হোসেন, শরীফ ইউ আহমেদ, আইয়ূব আলী আশরাফী, এবিএম ইব্রাহীম খলিল, মাসুদ রানা, আনিসুর রহমান খান, জহিরুল ইসলাম সুমন ও আনোয়ারা শিখাসহ আরও অনেকে।
সাবেক ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মাসুদ রানা বলেন, নিয়োগে প্রায় চার কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে বলে তাদের কাছে তথ্য রয়েছে। তারা এ বিষয়ে তদন্ত করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।
অ্যাডভোকেট আইয়ূব আলী আশরাফী অভিযোগ করেন, বিএনপির ত্যাগী নেতাকর্মীদের বাদ দিয়ে ফ্যাসিস্ট ও গুপ্ত সুপ্তদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তার দাবি, সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতেই পরিকল্পিতভাবে এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
.png)

