চোরাচালান ও আটক পণ্য নিষ্পত্তিতে নতুন আদেশ জারি

চোরাচালান ও আমদানি-রপ্তানি আইন লঙ্ঘনসহ বিভিন্ন অভিযোগে আটক ও বাজেয়াপ্ত পণ্য নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে নতুন স্থায়ী আদেশ জারি করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
নতুন আদেশে নিলামের পাশাপাশি নির্দিষ্ট শ্রেণির পণ্য সরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংশ্লিষ্ট সংস্থার কাছে বিক্রি, হস্তান্তর এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ধ্বংসের বিস্তারিত পদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়েছে।
সাধারণভাবে নিলামযোগ্য পণ্য বিক্রিতে বোর্ডের প্রবর্তিত ই-নিলাম বা লাইভ ই-অকশন ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) এনবিআরের কাস্টমস শাখা থেকে ‘অখালাসকৃত বা চোরাচালানের অভিযোগে আটক ও বাজেয়াপ্তকৃত পণ্যের নিষ্পত্তি পদ্ধতি সংক্রান্ত স্থায়ী আদেশ, ২০২৬’ জারি করা হয়।
এতে স্বাক্ষর করেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আহসান হাবিব। নতুন আদেশের মাধ্যমে ২০২৫ সালের ২ জুলাই জারি করা এ-সংক্রান্ত আগের স্থায়ী আদেশ বাতিল করা হয়েছে।
কাস্টমস আইন, ২০২৩-এর ধারা ৯৪-এর সঙ্গে পঠিতব্য ধারা ২৩৭ ও ২৬৬-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে নতুন আদেশটি জারি করা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, পচনশীল পণ্যের দ্রুত নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে ২০২২ সালে জারি করা সংশ্লিষ্ট এসআরও এবং ২০২৪ সালের সংশোধিত এসআরও কার্যকর থাকবে।
নতুন আদেশ অনুযায়ী, কাস্টমস, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), পুলিশ, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কোস্টগার্ড ও আনসারসহ সংশ্লিষ্ট আটককারী কর্তৃপক্ষকে আটক করা পণ্য নিকটস্থ কাস্টমস গুদামে জমা দিতে হবে।
মূল্যবান ধাতু, হীরা, জুয়েলারি ও বৈদেশিক মুদ্রার ক্ষেত্রে স্বীকৃত যাচাইকারী প্রতিষ্ঠানের সনদ দেওয়ার বিধান রয়েছে। সনদ পাওয়া না গেলে এসব মূল্যবান পণ্য সাময়িকভাবে বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা রাখার সুযোগ রাখা হয়েছে।
সাধারণ পণ্য কাস্টমস গুদামে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এবং মূল্যবান ধাতু ও বৈদেশিক মুদ্রা সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত গ্রহণ করা হবে।
পচনশীল পণ্য অফিস সময়ের পরও গ্রহণ করা যাবে। পণ্য জমা দেওয়ার সময় আটককারী কর্তৃপক্ষকে তিন প্রস্থ আটক প্রতিবেদন দিতে হবে। গুদাম কর্মকর্তা পণ্যের মডেল, ব্র্যান্ড, পরিমাণ, মূল্যসহ প্রয়োজনীয় তথ্য গুদাম রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করবেন।
মূল্যবান ধাতু ও বৈদেশিক মুদ্রা গুদামে গ্রহণের পর জরুরি ভিত্তিতে পুলিশ প্রহরায় নিকটস্থ বাংলাদেশ ব্যাংক বা ট্রেজারি ব্যাংকে জমা দেওয়ার নির্দেশনা রয়েছে। কোনো বিচারিক প্রক্রিয়া দুই মাসের মধ্যে শেষ না হলে এসব পণ্য বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দিতে হবে। অন্যান্য পণ্য গুদামের আয়তন ও শ্রেণি অনুযায়ী এমনভাবে সংরক্ষণ করতে হবে, যাতে সহজে শনাক্ত ও পরিদর্শন করা যায়।
আটক পণ্য নিষ্পত্তির আগে আমদানিকারক, রপ্তানিকারক, এজেন্ট বা দাবিদারকে দাবি প্রতিষ্ঠার সুযোগ দিতে সাত কর্মদিবসের নোটিশ দিতে হবে। ডাক, কুরিয়ার, ই-মেইল, পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি, ডিজিটাল যোগাযোগ বা নোটিশ বোর্ডের মাধ্যমে এ নোটিশ দেওয়া যাবে।
কুরিয়ার পণ্যের মালিকের ঠিকানা না পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কাস্টমস হাউস, এলসি স্টেশন বা বিভাগীয় দপ্তরের নোটিশ বোর্ডে বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে।
নির্ধারিত সাত দিনের মধ্যে দাবিদার তার দাবি প্রমাণ করতে পারলে এবং প্রযোজ্য শুল্ক-কর ও জরিমানা পরিশোধ করলে পণ্য খালাসের সুযোগ থাকবে। অন্যদিকে দাবিদার না পাওয়া গেলে বা দাবি প্রমাণিত না হলে আইন অনুযায়ী পণ্য রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করে পরবর্তী নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করা হবে।
নতুন আদেশে নিলাম কমিটি গঠনের বিষয়েও বিস্তারিত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কমিশনার অ্যাডিশনাল কমিশনার বা জয়েন্ট কমিশনারকে আহ্বায়ক করে এক বা একাধিক নিলাম কমিটি গঠন করবেন।
নিলাম সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, গুদাম কর্মকর্তা এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য কাস্টমস কর্মকর্তারা কমিটির সদস্য থাকবেন। প্রয়োজনে অন্যান্য সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিকেও কো-অপ্ট করা যাবে।
নিলামের ক্ষেত্রে বোর্ডের প্রবর্তিত লাইভ ই-অকশন বা ই-নিলাম ব্যবস্থাকে প্রধান পদ্ধতি হিসেবে রাখা হয়েছে। তবে ই-নিলাম সম্ভব না হলে প্রকাশ্য, তাৎক্ষণিক বা সিল্ড নিলামের মাধ্যমে পণ্য বিক্রি করা যাবে।
নিলামের আগে কিছু পণ্য নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা সংস্থার কাছে নিলাম ছাড়াই বিক্রি বা হস্তান্তর করা যাবে। যেমন- পরিশিষ্ট ৪-এ উল্লেখিত বিভিন্ন পণ্য বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি লিমিটেডের (বিএমটিএফ) কাছে সংরক্ষিত মূল্যের ন্যূনতম ৬০ শতাংশ দামে বিক্রি করা যাবে।
চিনি, লবণ, ডাল, সয়াবিন তেলসহ পচনশীল পণ্য টিসিবি কিনতে আগ্রহী হলে বোর্ড নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করা যাবে। স্বর্ণ, রৌপ্য, প্লাটিনাম, হীরা, জুয়েলারি ও বৈদেশিক মুদ্রা বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দেওয়ার বিধান রয়েছে। বিস্ফোরক, আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মতামতের ভিত্তিতে প্রতিরক্ষা বাহিনী বা আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে হস্তান্তর করা যাবে।
এছাড়া মদ ও মদ্যজাতীয় পানীয় এবং বিদেশি সিগারেট বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের কাছে বিক্রির বিধান রয়েছে। প্রত্নসম্পদ জাতীয় বা আঞ্চলিক জাদুঘর কিংবা সরকারি দপ্তরে হস্তান্তর করা যাবে। প্রাণী বা প্রাণীর দেহাবশেষ বন বিভাগ বা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছে বিনামূল্যে দেওয়া যাবে।
ওষুধের কাঁচামাল ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের অনুমোদন সাপেক্ষে এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড বা রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করা যাবে।
নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করা সম্ভব নয় এমন নিয়ন্ত্রিত, নিষিদ্ধ, গুণগতমান নষ্ট বা ধ্বংসযোগ্য পণ্য বিশেষায়িত সংস্থার কাছে বিনামূল্যে হস্তান্তর করে ধ্বংস বা নিষ্ক্রিয় করার সুযোগও রাখা হয়েছে। নিলামের পরও বিক্রি হয়নি এমন পণ্য সরকারি প্রতিষ্ঠানের আবেদনের ভিত্তিতে তাদের প্রস্তাবিত মূল্যে বিক্রি বা হস্তান্তর করা যাবে।
নিলামযোগ্য পণ্যের ক্ষেত্রে দরদাতার যোগ্যতাও নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানকে হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স, মূসক নিবন্ধন, টিআইএন সনদ এবং হালনাগাদ আয়কর রিটার্ন দাখিলের প্রত্যয়নপত্র থাকতে হবে।
ব্যক্তিশ্রেণির দরদাতার ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র, টিআইএন সনদ এবং আয়কর রিটার্ন দাখিলের প্রত্যয়নপত্র প্রয়োজন হবে।
নিলামে অংশ নিতে প্রতিটি লটের সংরক্ষিত মূল্যের ৫ শতাংশ হারে ফেরতযোগ্য জামানত দিতে হবে। ই-নিলামের ক্ষেত্রে ই-পেমেন্টের মাধ্যমে এবং ই-নিলাম ছাড়া অন্য পদ্ধতিতে পে-অর্ডার, ই-পেমেন্ট বা যাচাইযোগ্য নেগোশিয়েবল ইন্সট্রুমেন্টের মাধ্যমে জামানত জমা দেওয়া যাবে।
নিলামের প্রচারেও নতুন নিয়ম করা হয়েছে। নিলাম অনুষ্ঠানের কমপক্ষে সাত কর্মদিবস আগে একটি জাতীয় ও একটি স্থানীয় দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে হবে।
পাশাপাশি এনবিআর ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ওয়েবসাইটেও বিজ্ঞপ্তি দিতে হবে। নিলামের আগে আগ্রহী ক্রেতাদের পণ্য পরিদর্শনের সুযোগ দিতে হবে এবং নিলামের দুই দিন আগে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করতে হবে।
প্রচলিত পদ্ধতিতে নিলামের ক্ষেত্রে প্রথম নিলামে সংরক্ষিত মূল্যের কমপক্ষে ৬০ শতাংশ দর পাওয়া গেলে সর্বোচ্চ দরদাতার কাছে বিক্রির সুপারিশ করা হবে। এ দরে বিক্রি না হলে দ্বিতীয় ও তৃতীয় নিলামের ব্যবস্থা করা হবে।
তিন দফা নিলামেও বিক্রি সম্ভব না হলে মেগালট তৈরির মাধ্যমে পরবর্তী নিলামে তোলার সুপারিশ করা যাবে।
ই-নিলামের ক্ষেত্রে প্রথম নিলামকেই চূড়ান্ত হিসেবে গণ্য করার বিধান রাখা হয়েছে। সফটওয়্যার স্বয়ংক্রিয়ভাবে দরদাতাদের তুলনামূলক তালিকা তৈরি করবে। নিলাম কমিটি সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্য দরদাতা নির্ধারণ করে কমিশনারের কাছে অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করবে।
নিলাম কমিটির সুপারিশ পাওয়ার পর তিন কর্মদিবসের মধ্যে কমিশনারকে তা অনুমোদন অথবা যুক্তিসংগত কারণ উল্লেখ করে আইনানুগ সিদ্ধান্ত দিতে হবে। অনুমোদনের তিন কর্মদিবসের মধ্যে বিজয়ী দরদাতার অনুকূলে বিক্রয়াদেশ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
বিক্রয়াদেশ পাওয়ার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দরমূল্য ও প্রযোজ্য উৎসে আয়কর ও মূসক পরিশোধ করতে হবে। অর্থ পরিশোধের পর তিন কর্মদিবসের মধ্যে ডেলিভারি অর্ডার দেওয়ার বিধান রয়েছে। ডেলিভারি অর্ডার পাওয়ার পর তিন কর্মদিবসের মধ্যে পণ্য খালাস নিতে হবে।
নির্ধারিত বা বর্ধিত সময়েও পণ্য গ্রহণ না করলে বিক্রয় অনুমোদন বাতিল করে বিজয়ীর জামানত রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা হবে এবং পণ্য পুনরায় নিলামে তোলা হবে।
নিলামে প্রাপ্ত অর্থও নির্দিষ্ট ক্রমানুসারে বণ্টন করা হবে। প্রথমে নিলামকারী কমিশনসহ বিক্রয়-সংক্রান্ত ব্যয়, এরপর পণ্যের ফ্রেইট ও অন্যান্য চার্জ, তারপর সরকারের প্রাপ্য কাস্টমস শুল্ক, কর ও অন্যান্য পাওনা এবং সবশেষে হেফাজতকারী বা জিম্মাদারের পাওনা চার্জ পরিশোধ করা হবে। সব পাওনা পরিশোধের পর অর্থ অবশিষ্ট থাকলে পণ্যের মালিকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তা দেওয়ার বিধান রয়েছে।
নিলাম কার্যক্রমে প্রকাশ্য বাধা, মিথ্যা তথ্য, জাল দলিল দাখিল, নির্ধারিত সময়ে জামানত না দেওয়া বা অন্য অংশগ্রহণকারীকে ভয়ভীতি প্রদর্শনের মতো ঘটনা প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে কালো তালিকাভুক্ত করা হবে। পাশাপাশি প্রযোজ্য আইনে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।
ধ্বংসযোগ্য পণ্যের ক্ষেত্রেও নতুন আদেশে বিস্তারিত বিধান রাখা হয়েছে। মদ ও মদ্যজাতীয় পানীয় ও বিদেশি সিগারেট নির্ধারিত প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করা সম্ভব না হলে ধ্বংস করা যাবে। আমদানি-রপ্তানি নীতি বা অন্যান্য আইনে নিষিদ্ধ পণ্য এবং মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্যও ধ্বংসের আওতায় থাকবে।
পণ্য ধ্বংসের জন্য কাস্টমস, জেলা প্রশাসন, পুলিশ, বন্দর কর্তৃপক্ষ, সিভিল এভিয়েশন, বাংলাদেশ বিমান, বিজিবি বা কোস্টগার্ড, পরিবেশ অধিদপ্তর এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ফায়ার সার্ভিসসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে ধ্বংস কমিটি গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। কমিটির সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের উপস্থিতিতে ধ্বংস কার্যক্রম সম্পন্ন করা যাবে।
ধ্বংসের আগে পণ্যের বিস্তারিত ইনভেন্টরি প্রস্তুত করতে হবে। এতে পণ্যের বিবরণ, পরিমাণ, ব্র্যান্ড, মডেল, আর্ট নম্বর, পার্ট নম্বর, তৈরির সাল, তৈরির দেশ ও প্রযোজ্য ক্ষেত্রে মূল্য উল্লেখ করতে হবে। ধ্বংসের স্থান ও সময় নির্ধারণের পর কমিটির সদস্যদের কমপক্ষে পাঁচ কর্মদিবস আগে অবহিত করতে হবে। ধ্বংস শেষে কমিটির উপস্থিত সদস্যরা তালিকায় প্রতিস্বাক্ষর করবেন এবং সংশ্লিষ্ট কমিশনারের কাছে প্রতিবেদন দাখিল করবেন।
নতুন আদেশে আরও বলা হয়েছে, নিলাম ও ধ্বংস কার্যক্রমের প্রতিবেদন নিয়মিতভাবে প্রস্তুত করে প্রতি মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে এনবিআরের নিলাম শাখায় পাঠাতে হবে। আদেশের কোনো বিধানের সঙ্গে বিদ্যমান আইন বা বিধির অসামঞ্জস্য দেখা দিলে সংশ্লিষ্ট আইন বা বিধির বিধানই প্রাধান্য পাবে।
এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে। নতুন স্থায়ী আদেশের পরিশিষ্ট-৪-এ খাদ্যপণ্য, মসলা, ভোজ্যতেল, রাসায়নিক, কসমেটিকস, প্লাস্টিক, চামড়া, কাঠ, কাগজ, পোশাক, জুতা, টাইলস, ধাতু, যন্ত্রপাতি, ইলেকট্রনিকস, মোবাইল, যানবাহন, মেডিকেল সরঞ্জাম, ফার্নিচারসহ মোট ৫৩ ধরনের পণ্যের তালিকাও দেওয়া হয়েছে, যেগুলো নির্ধারিত শর্তে বিএমটিএফের কাছে বিক্রির আওতায় পড়তে পারে।


