স্বর্ণের দাম ভরিতে কমলো ১৫৭৬২ টাকা

স্বর্ণের নতুন দাম প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ১৫ হাজার ৭৬২ টাকা কমিয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইস অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিংয়ের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
নতুন নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেট হলমার্ককৃত স্বর্ণের প্রতি গ্রামের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২১ হাজার ৯১৫ টাকা। ফলে প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৫৫ হাজার ৬১৭ টাকা।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।
একইসঙ্গে ২১ ক্যারেটের স্বর্ণ ভরিপ্রতি ২ লাখ ৪৪ হাজার ১০ টাকা, অন্যদিকে ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ৯ হাজার ১৩৫ টাকা। এ ছাড়া সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের ভরি ১ লাখ ৭১ হাজার ৮৬৯ টাকা।
বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।
এর আগে, গতকাল শুক্রবার স্বর্ণের ভরিতে ১৪ হাজার ৬৩৮ টাকা কমিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বাজুস। তখন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৭১ হাজার ৩৬৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫৮ হাজার ৯৯৯ টাকা ও ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২২ হাজার ২৪ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৮২ হাজার ৮৩৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১৮ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ১৩ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ৫ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।