logo

‘একটি গ্রাম একটি পণ্য’ উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার

‘একটি গ্রাম একটি পণ্য’ উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার
ছবি: সংগৃহীত

দেশের সৃজনশীল অর্থনীতির সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে ক্রিয়েটিভ অর্থনীতিভিত্তিক পণ্য চিহ্নিতকরণ ও নকশা উন্নয়নের জন্য ১০ বছরের একটি বিনিয়োগ ও সময়াবদ্ধ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে ‘একটি গ্রাম একটি পণ্য’ উদ্যোগ বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ তথ্য জানান।

অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী ও সম্ভাবনাময় পণ্যকে কেন্দ্র করে গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই এ উদ্যোগের লক্ষ্য।

চিহ্নিত করা হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী পণ্য

‘একটি গ্রাম একটি পণ্য’ কর্মসূচির আওতায় ক্রিয়েটিভ অর্থনীতিভিত্তিক বিভিন্ন পণ্য চিহ্নিত করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে তাঁতশিল্প, মৃৎশিল্প, বুননশিল্প, শীতলপাটি, শতরঞ্জি, কাঠের খেলনা, হাতে তৈরি গয়না, টেরাকোটাসহ নানা ধরনের ঐতিহ্যবাহী ও হস্তনির্ভর পণ্য। সরকারের আশা, এসব পণ্যের উৎপাদন, বিপণন ও ব্র্যান্ডিংয়ের মাধ্যমে স্থানীয় উদ্যোক্তাদের আয় বাড়বে এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন গতি আসবে।

গঠন করা হবে ডিজাইনারদের জাতীয় পুল

ক্রিয়েটিভ পণ্যের মানোন্নয়ন ও আধুনিক নকশা উন্নয়নের জন্য দেশীয় ডিজাইনারদের সমন্বয়ে ‘ন্যাশনাল পুল অব ডিজাইনার্স’ গঠন করা হচ্ছে। এ ছাড়া বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) আওতাধীন নকশাকেন্দ্রকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী আধুনিকায়ন ও উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং খ্যাতিমান ফ্যাশন ডিজাইনারদের সহযোগিতায় একটি বিশেষ প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে বলে বাজেট বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়।