Advertisement

চীনের ক্যাস-অ্যানসো শিক্ষাবৃত্তি পেলেন জাবিপ্রবির সাবিত

এশিয়া পোস্ট নিউজ, জাবিপ্রবি
চীনের ক্যাস-অ্যানসো শিক্ষাবৃত্তি পেলেন জাবিপ্রবির সাবিত
মো. সাবিত হাসান। ছবি: সংগৃহীত

জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবিপ্রবি) ফিশারিজ বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. সাবিত হাসান চীনের মর্যাদাপূর্ণ ক্যাস-অ্যানসো ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপ অর্জন করেছেন। এ স্কলারশিপের আওতায় তিনি চীনের ইউনিভার্সিটি অব চাইনিজ একাডেমি অব সায়েন্সেস ইনস্টিটিউট অব হাইড্রোবায়োলজিতে স্নাতকোত্তর (মাস্টার্স) পর্যায়ে অধ্যয়নের সুযোগ পেয়েছেন।

সম্পূর্ণ অর্থায়নভিত্তিক এ স্কলারশিপের আওতায় তিনি মাসিক ৪ হাজার চীনা ইউয়ান ভাতা, আসা-যাওয়ার বিমান টিকিটসহ উচ্চশিক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য সুবিধা পাবেন।

সাবিত হাসান জাবিপ্রবি থেকে ফিশারিজ বিষয়ে ৩.২৯৮ সিজিপিএ নিয়ে স্নাতক (সম্মান) সম্পন্ন করেন। তবে ইতোমধ্যে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন জার্নালে তার ১১টি গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে। পাশাপাশি তিনি একাধিক গবেষণা প্রকল্পে গবেষণা সহকারী হিসেবে কাজ করেছেন এবং মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ, উপাত্ত বিশ্লেষণ ও গবেষণা পরিচালনায় অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন।

নিজের এ সাফল্য সম্পর্কে সাবিত হাসান বলেন, তুলনামূলকভাবে কম সিজিপিএ এবং শুধু এমওআই নিয়ে বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ এই স্কলারশিপ অর্জন করা সহজ ছিল না। তবে গবেষণার অভিজ্ঞতা এবং একাধিক গবেষণাপত্র তার প্রোফাইলকে অনেক শক্তিশালী করেছে।

সবার আগে স্ত্রী ও পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন সাবিত। তাদের মানসিক সমর্থনই তাকে সবসময় অনুপ্রাণিত করেছে। ২০২০ সালে গবেষণায় যাত্রা শুরু হয় তার। পরে নিয়মিত বিভিন্ন গবেষণায় যুক্ত থাকেন।

সাবিতের গবেষণা সুপারভাইজার ও ফিশারিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ফরহাদ আলী এশিয়া পোস্টকে বলেন, সাবিত আমার দুটি গবেষণা প্রকল্পে কাজ করেছে। এমন একটি মর্যাদাপূর্ণ স্কলারশিপ তার প্রাপ্য ছিল। তার এ কাজ ভবিষ্যতে আরও বড়ো পরিসরে দেশের জন্য সুনাম বয়ে আনবে বলে আশা ব্যক্ত করেন তিনি।

ফিশারিজ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. মোহাম্মদ সাদিকুর রহমান এশিয়া পোস্টকে বলেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথম শিক্ষার্থী হিসেবে সাবিত চীনে পূর্ণাঙ্গ স্কলারশিপ অর্জন করেছে। তার এ সাফল্য আগামী দিনের শিক্ষার্থীদের গবেষণা ও বিদেশে উচ্চশিক্ষার প্রতি আরও উৎসাহিত করবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও শুভানুধ্যায়ীরা আশা প্রকাশ করেছেন, সাবিত হাসানের এ অর্জন শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, এটি জাবিপ্রবিতে গবেষণার সংস্কৃতি বিকাশ এবং আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষায় শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধিতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।