logo

স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপন

স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশে বিশ্ব পরিবেশ দিবস উদযাপন
অুনষ্ঠানে আমন্ত্রীত অতিথিদের সঙ্গে বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের ছবি তোলার দৃশ্য। ছবি: সংগৃহীত

পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং টেকসই উন্নয়ন বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগ বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ উপলক্ষে এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।

সোমবার (৮ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কলার্স’ ইন-এ অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং আমন্ত্রিত অতিথিদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পরিবেশবান্ধব ভবিষ্যৎ নির্মাণের প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন খান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্টেট কলেজ অব হেলথ সাইন্সেস কলেজের অধ্যক্ষ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (ডা.) মো. আফজালুর রহমান, এনডিসি; বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. আহমেদ হোসেন এবং স্কুল অব সায়েন্সের ডিন অধ্যাপক মো. আলী নকী।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন খান বলেন, ‘বর্তমান বিশ্বে জলবায়ু পরিবর্তন মানবজাতির অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে আমাদের প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধি এবং গবেষণাভিত্তিক উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে একটি সবুজ ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা সম্ভব।’

বিভাগের শিক্ষার্থীদের পোস্টার প্রতিযোগিতার দৃশ্য প্রদর্শন
বিভাগের শিক্ষার্থীদের পোস্টার প্রতিযোগিতার দৃশ্য প্রদর্শন

স্বাগত বক্তব্যে পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মারজিয়া বিলকিস বলেন, ‘পরিবেশ রক্ষার দায়িত্ব কেবল সরকার বা কোনো প্রতিষ্ঠানের নয়, এটি আমাদের সবার সম্মিলিত দায়িত্ব। পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা যেন জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণে বাস্তবভিত্তিক উদ্যোগ গ্রহণ করে, সে লক্ষ্যেই আমরা কাজ করছি।’

অনুষ্ঠানের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের উপদেষ্টা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. হুমায়ুন কবির। ‘নাও ফর ক্লাইমেট’ শীর্ষক বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ইতোমধ্যে বিশ্বব্যাপী দৃশ্যমান। এখনই কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের সময়। পরিবেশবান্ধব জীবনযাপন, প্রাকৃতিক সম্পদের সঠিক ব্যবহার এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার মাধ্যমে আমরা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী নিশ্চিত করতে পারি।’

অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী পর্বের পাশাপাশি পোস্টার প্রতিযোগিতা, স্পট কুইজ প্রতিযোগিতা, ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতা এবং ফটোগ্রাফি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। এসব আয়োজনে শিক্ষার্থীরা পরিবেশ ও জলবায়ু বিষয়ক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বার্তা সৃজনশীল উপায়ে তুলে ধরে।

অনুষ্ঠানের সমাপনী পর্বে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। বক্তারা পরিবেশ সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি ব্যক্তি, সমাজ এবং রাষ্ট্রের সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং একটি সবুজ, টেকসই ও জলবায়ু সহনশীল বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।