চবি শিক্ষার্থীদেরকে শিবির সভাপতি/আন্দোলন করে হলেও শতভাগ আবাসন নিশ্চিত করতে হবে

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেছেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্ণাঙ্গ আবাসন সুবিধা না দেওয়া সরকারের একটি ইচ্ছাকৃত দুর্বলতা। আন্দোলন করে হলেও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের শতভাগ আবাসন নিশ্চিত করতে হবে।
শনিবার (২৯ আগস্ট) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদ মিলনায়তনে নবীনবরণ অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধিপত্যবাদের বলয় থেকে মুক্ত করা না গেলে জাতি কখনও উন্নত হতে পারে না। বিশ্ববিদ্যালয়ে শতভাগ আবাসন নিশ্চিত না করে আর কোনো নতুন বিশ্ববিদ্যালয় করা উচিত নয়। একটি হলের সিটের জন্য কেন একজন শিক্ষার্থীকে নেতার পেছনে ঘুরতে হবে? ছাত্রত্ব শেষ হওয়ার পর নির্বাচিত প্রতিনিধিরও হলে থাকার অধিকার নেই; অনার্স-মাস্টার্স শেষ হওয়া মাত্রই হল ছাড়তে হবে। আমরা ক্যাম্পাসগুলোকে পুনর্গঠন করতে চাই এবং গণরুম ও গেস্টরুমের অপসংস্কৃতি ভেঙে দিয়ে একটি শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে চাই।
চাকসু ভিপি ও চবি ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইব্রাহিম হোসেন রনি বলেন, নতুন কারিকুলাম সফল হতে হলে আমাদের এখন থেকেই গভীরভাবে মনোযোগ দিতে হবে। আপনাদের আগামী দিনগুলো সুন্দর ও সাফল্যমণ্ডিত হোক—এই শুভকামনা জানাই। আমরা প্রতিনিয়ত আপনাদের অধিকার আদায়ে কাজ করে যাচ্ছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের শতভাগ আবাসন নিশ্চিত করা, ক্যাম্পাসকে সম্পূর্ণ নিরাপদ করা এবং শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য শাটল ট্রেনের সুব্যবস্থা না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এই ন্যায়সংগত লড়াই চলবে।
অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. আতিয়ার রহমান, চাকসুর সাবেক ভিপি ও চবি ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি এডভোকেট মোঃ জসিমউদদীন সরকার।



