logo
Advertisement

ডাকসুর বড় সাফল্য সহিংসতামুক্ত ক্যাম্পাস: সাদিক কায়েম

এশিয়া পোস্ট প্রতিবেদক
এশিয়া পোস্ট প্রতিবেদক
ডাকসুর বড় সাফল্য সহিংসতামুক্ত ক্যাম্পাস: সাদিক কায়েম
ডাকসু ভবনের সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন ভিপি সাদিক কায়েম। ছবি: এশিয়া পোস্ট

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ এর গত এক বছরের কার্যক্রম ও অর্জন তুলে ধরে ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম বলেছেন, এবারের ডাকসুর সবচেয়ে বড় অর্জন হলো ক্যাম্পাসকে সহিংসতামুক্ত রাখা। দায়িত্ব নেওয়ার পর এক বছর ধরে ক্ষমতার প্রদর্শন বা সহিংসতার কোনো ঘটনা ঘটতে দেওয়া হয়নি বলেও দাবি করেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ডাকসু ভবনের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে গত এক বছরের কার্যবিবরণী ও অর্জনের খতিয়ান তুলে ধরেন ডাকসুর নেতৃবৃন্দ। পরে ডাকসুর এক বছরের কার্যক্রম নিয়ে প্রকাশিত বিশেষ বই শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সাদিক কায়েম বলেন, এবারের ডাকসুর সবচেয়ে বড় অর্জন যদি আমাকে কেউ জিজ্ঞেস করেন, আমি বলব সহিংসতামুক্ত ক্যাম্পাস। পুরো এক বছর জুড়ে আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর এক সেকেন্ডের জন্যও কাউকে ক্ষমতার প্রদর্শন করতে দিইনি।

তিনি বলেন, নব্বইয়ের দশকের ডাকসু এবং এর আগের সময়ের বিভিন্ন সংবাদপত্রের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে তারা দেখেছেন, সে সময় ক্যাম্পাসে নিয়মিত সহিংসতার ঘটনা ঘটত। সাবেক ডাকসু নেতৃবৃন্দের সঙ্গেও এ বিষয়ে কথা হয়েছে বলে জানান তিনি।

সাদিক কায়েমের বলেন, অতীতে ছাত্র রাজনীতির একটি বড় অংশ হলের ক্যান্টিনের টেবিল চেয়ার দখলকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হতো। হল সংসদ ও কেন্দ্রীয় সংসদও অনেক সময় একসঙ্গে কাজ করতে পারেনি। তবে বর্তমান ডাকসু দায়িত্ব নেওয়ার পর ক্যাম্পাসের সহিংসতা শূন্যের লেভেলে নিয়ে এসেছে বলে দাবি করেন তিনি।

ডাকসু ভিপি আরও বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে বিভিন্ন সময়ে ক্ষমতার পালাবদলের পর ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলো নিয়ন্ত্রণ বা দখলের ঘটনা ঘটেছে। তবে এবার ডাকসু ও হল সংসদের নেতৃবৃন্দের ভূমিকার কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো সিট কাউকে দখল করতে দেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যবীমা নিয়েও ডাকসুর উদ্যোগের কথা তুলে ধরা হয়।

সাদিক কায়েম বলেন, শিক্ষার্থীদের হেলথ ইন্স্যুরেন্সের প্রায় ৭০ লাখ টাকা বকেয়া ছিল। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, সংশ্লিষ্ট প্রকল্প এবং ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির সঙ্গে আলোচনা করে বকেয়া ইন্স্যুরেন্স সুবিধা শিক্ষার্থীদের দেওয়ার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে।

এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের সদস্য করার দাবিও সিন্ডিকেটে উত্থাপন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।