বেরোবিতে আড়াই বছর নেই প্রো-ভিসি, মাস পেরোলেও যোগ দেননি ট্রেজারার

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) দীর্ঘদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ দুটি পদ–উপ-উপাচার্য ও ট্রেজারার কার্যত শূন্য রয়েছে। উপ-উপাচার্য পদে প্রায় আড়াই বছর ধরে কোনো নিয়োগ হয়নি। প্রায় দুই বছর শূন্য থাকার পর ট্রেজারার পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, তবে নিয়োগের এক মাস পেরোলেও নতুন ট্রেজারার যোগদান করেননি।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের মার্চে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য পদের মেয়াদ শেষ হয়। এরপর পদটিতে নতুন কাউকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। ফলে প্রায় আড়াই বছর ধরে এ পদটি শূন্য রয়েছে। প্রায় দুই বছর ট্রেজারার পদও শূন্য ছিল। গত ২৩ জুলাই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবু হানিফ সরকারকে বেরোবির ট্রেজারার হিসেবে নিয়োগ দেয়।
তবে নিয়োগের এক মাস পেরিয়ে গেলেও তিনি এখনো নিজ পদে যোগদান করতে পারেননি। ফলে নিয়োগ পাওয়ার পরও ট্রেজারার পদটি কার্যত শূন্যই রয়েছে। এতে দুই বছর ধরে উপাচার্যকে নিজের দায়িত্বের পাশাপাশি ভারপ্রাপ্ত হিসেবে ট্রেজারারে দায়িত্বও সামলাতে হচ্ছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাজেও ধীর গতি দেখা দিয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. আবু হানিফ সরকার বলেন, আমি যোগদানের জন্য প্রস্তুত। তবে মন্ত্রণালয়ের আদেশ না পাওয়ায় আমি যোগদান করতে পারছি না। কী কারণে যোগদানের অনুমতি আটকে আছে সেই বিষয়েও অবগত নই।
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০৯-এর ১২(১) ধারায় বলা হয়েছে, আচার্য প্রয়োজনবোধে তার নির্ধারিত শর্তে চার বছরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো অধ্যাপককে উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দিতে পারবেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী বলেন, এটি আমার হাতে নয়। এসব নিয়োগ বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য অর্থাৎ রাষ্ট্রপতি দিয়ে থাকেন।



