Advertisement

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির মাইগ্রেশন নিয়ে অনলাইনে চলছে ভোটগ্রহণ

এশিয়া পোস্ট নিউজ, বাঙলা কলেজ
ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির মাইগ্রেশন নিয়ে অনলাইনে চলছে ভোটগ্রহণ
ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির লোগো। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির সংশ্লিষ্ট অ্যাকাডেমিক প্রোগ্রামে মাইগ্রেশন নিয়ে অনলাইন ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে।

Advertisement

সোমবার (১৭ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে শুরু হওয়া এ ভোটগ্রহণ বর্তমানে চলমান রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের মতামত নেওয়ার এই কার্যক্রম মোট ৬০ ঘণ্টা চলবে। আগামী বুধবার (১৯ আগস্ট) রাত ১০টায় ভোটগ্রহণ শেষ হবে বলে জানানো হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীরা অনলাইনে নিজেদের মতামত জানাতে পারবেন।

এ ভোটে অংশ নেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের ২০২১-২২, ২০২২-২৩ ও ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য। মাইগ্রেশন বিষয়ে শিক্ষার্থীদের মতামত জানতে সরাসরি উপস্থিত হয়ে ভোট দেওয়ার পরিবর্তে অনলাইন পদ্ধতি বেছে নিয়েছে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি কর্তৃপক্ষ।

ভোট দেওয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে দেওয়া নির্ধারিত লিংকে প্রবেশ করতে হবে। ভোট দেওয়ার সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাটাবেজে পরীক্ষার সময় নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে ওটিপি পাঠানো হচ্ছে। একটি মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে একবারই ভোট দেওয়ার সুযোগ রয়েছে।

ভোটের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর নাম, কলেজ, বিভাগ, শিক্ষাবর্ষ, রেজিস্ট্রেশন নম্বর, মোবাইল নম্বর ও জন্মতারিখসহ প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের মতামত যাতে নির্ভরযোগ্যভাবে সংগ্রহ করা যায় এবং একই সঙ্গে পুরো প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা বজায় থাকে, সে লক্ষ্যেই অনলাইন ভোটের ব্যবস্থা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর শিক্ষার্থীদের দেওয়া মতামত পর্যালোচনা করে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির সংশ্লিষ্ট অ্যাকাডেমিক প্রোগ্রামে মাইগ্রেশনের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, মাইগ্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক অনলাইন অ্যাকাডেমিক ব্যবস্থাপনা চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এর আওতায় পরীক্ষা গ্রহণ ও ফল প্রকাশের কার্যক্রম আরও দ্রুত ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হবে। শিক্ষার্থীদের সেশনজট কমানো এবং ফলাফলে ভুল বা অসংগতি এড়াতে দ্বৈত পরীক্ষক পদ্ধতি চালুর বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।