logo

শ্রেণিকক্ষ সংকটে জাবির ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের শিক্ষার্থীরা

শ্রেণিকক্ষ সংকটে জাবির ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের শিক্ষার্থীরা
জাবির ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের শিক্ষার্থীদের নতুন ভবন নির্মাণের দাবি। ছবি: এশিয়া পোস্ট

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের জন্য আধুনিক ও পূর্ণাঙ্গ একাডেমিক ভবন নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন অনুষদের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

এ দাবিতে রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নুরুল ইসলামের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন তারা।

স্মারকলিপিতে শিক্ষার্থীরা বলেন, ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের অধীনে ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং, মার্কেটিং, অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস এবং ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের পাশাপাশি এমফিল, পিএইচডি ও বিভিন্ন পেশাগত কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। শিক্ষার্থী ও একাডেমিক কার্যক্রমের পরিধি বাড়লেও সেই তুলনায় অনুষদের অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা পর্যাপ্ত নয়।

তাদের দাবি, অনুষদের বর্তমান ভবনের বিভিন্ন স্থানে দীর্ঘদিন ধরে ফাটলসহ নানা অবকাঠামোগত সমস্যা রয়েছে। একই সঙ্গে পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ, শিক্ষক-কর্মকর্তাদের কক্ষ, কমনরুম ও লাইব্রেরির সংকট রয়েছে। ফলে নিয়মিত পাঠদান ও অন্যান্য একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনায় নানা ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে।

স্মারকলিপিতে শিক্ষার্থীরা আরও উল্লেখ করেন, ভবনের বিভিন্নস্থানে ফাটল ও অবকাঠামোগত সমস্যার কারণে তাদের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ভবনটির বর্তমান অবস্থা দ্রুত পর্যালোচনার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি সমাধান হিসেবে একটি আধুনিক ও পরিকল্পিত একাডেমিক ভবন নির্মাণ প্রয়োজন।

পর্যাপ্ত শ্রেণিকক্ষ না থাকায় বিভিন্ন সময়ে ক্লাসের স্থান পরিবর্তন করতে হয় বলেও জানান শিক্ষার্থীরা। এতে নিয়মিত একাডেমিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে দাবি করেন তারা।

এ অবস্থায় ২০২৬ সালের মধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী নির্ধারিত স্থানে ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের নতুন ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। তাদের মতে, শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও মানসম্মত শিক্ষা পরিবেশ নিশ্চিত করতে বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নুরুল ইসলাম বলেন, “আমরা শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি পেয়েছি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলব। পাশাপাশি প্রকৌশলীদের সঙ্গে আলোচনা করে দেখব, প্রস্তাবিত ভবনটি অধিকতর উন্নয়ন প্রকল্পের আওতাভুক্ত হয়েছে কি না। যদি এ প্রকল্পের আওতায় না থাকে, তাহলে ভবন নির্মাণের জন্য ডিপিপি (উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব) প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।”