logo

যবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীকে থাপ্পড়ে কানের পর্দা ফাটানোয় তদন্ত কমিটি গঠন

যবিপ্রবিতে শিক্ষার্থীকে থাপ্পড়ে কানের পর্দা ফাটানোয় তদন্ত কমিটি গঠন
যবিপ্রবি শিক্ষার্থীর কানে থাপ্পড়ের ঘটনায় ছয় দফা দাবি জানিয়েছে অন্য শিক্ষার্থীরা। ছবি: এশিয়া পোস্ট

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ফার্মেসি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী জুয়েল আল ইমরানকে থাপ্পড় মেরে কানের পর্দা ক্ষতিগ্রস্ত করার অভিযোগের ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

এ দিকে ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ছয় দফা দাবিতে আগামীকাল রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুর ১টা পর্যন্ত প্রশাসনকে সময় বেঁধে দিয়েছেন ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

শনিবার (৩ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে বিভাগের চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মো. হামিদুর রহমান এবং শহীদ মশিয়ুর রহমান হলের প্রভোস্ট ড. মো. মজনুজ্জামানের কাছে ছয় দফা দাবি সম্বলিত স্মারকলিপি হস্তান্তর করেন।

শিক্ষার্থীদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে— অভিযুক্ত ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের শিক্ষার্থী তানভীর হকের ছাত্রত্ব বাতিল, তাকে অবিলম্বে হল থেকে বহিষ্কার, আহত শিক্ষার্থী জুয়েল আল ইমরানের চিকিৎসার সম্পূর্ণ ব্যয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বহন, ঘটনায় জড়িত সব অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা এবং ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। পাশাপাশি ঘটনায় প্রশাসনের কার্যকর ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

ফার্মেসি বিভাগের শিক্ষার্থীরা জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তাদের দাবিগুলো পূরণ না হলে বিভাগের সব ধরনের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। আগামীকাল থেকে তদন্ত কমিটি কার্যক্রম শুরু করবে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একই সঙ্গে আহত শিক্ষার্থীর চিকিৎসার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আর্থিক সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, শহীদ মশিয়ুর রহমান হলে গোসল করাকে কেন্দ্র করে জুয়েল আল ইমরানের সঙ্গে তানভীর হকের কথা-কাটাকাটি হয়। পরে বিষয়টি মীমাংসার জন্য বিকেলে ক্যাম্পাসের বাইরে জুয়েল আল ইমরান ও তার কয়েকজন বন্ধু যান। সেখানে কথা বলার এক পর্যায়ে তানভীর হক, জুয়েল আল ইমরানকে থাপ্পড় মারে। ঘটনার সময় ইংরেজি বিভাগের একই শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রাজিন মাহমুদ খান কাব্য ও অস্কারসহ আরও ৮-১০ জন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। পরে আহত অবস্থায় জুয়েল আল ইমরানকে চিকিৎসার জন্য মেডিকেলে নেওয়া হয়।