logo
Advertisement

ঢাকা কলেজের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, প্রতিবাদে ছাত্রদলের বিক্ষোভ

ঢাকা কলেজের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ, প্রতিবাদে ছাত্রদলের বিক্ষোভ
ককটেল বিস্ফোরণের প্রতিবাদে ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল। ছবি: এশিয়া পোস্ট

ঢাকা কলেজের বিপরীতে গ্লোব শপিং মলের সামনে ও পাশের তেলের পাম্পের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনার প্রতিবাদে তাৎক্ষণিক বিক্ষোভ মিছিল করেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ঢাকা কলেজ শাখা।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাত ১১টার দিকে গ্লোব শপিং মলের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এর প্রতিবাদে রাত সোয়া ১২টার দিকে ঢাকা কলেজের মূল ফটকের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

মিছিলটি সায়েন্সল্যাব মোড় হয়ে নিউমার্কেট প্রদক্ষিণ করে পুনরায় ঢাকা কলেজের মূল ফটকের সামনে এসে শেষ হয়। এ সময় নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন-‘ছাত্রলীগের ঠিকানা, বাংলাদেশে হবে না’, ‘একটা একটা লীগ ধর, ধইরা ধইরা জেলে ভর’, ‘ছাত্রলীগের আস্তানা, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’ ‘বাড়াবাড়ি করিস না, পিঠের চামড়া থাকবে না’ ইত্যাদি।

প্রত্যক্ষদর্শী রুহুল আমিন নামের এক ব্যক্তি বলেন, ঘটনাস্থলের পাশেই একটি কাজে ছিলাম। ঢাকা কলেজের বিপরীতে গ্লোব শপিং মলের সামনে একটি ময়লার স্তূপ ছিল। সেখানে ময়লা পরিষ্কারের সময় পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা ময়লা সরাতে গেলে হঠাৎ একটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। বিস্ফোরণের পর আমরা কয়েকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি সেখানে একটি বিস্ফোরিত ককটেলের পাশে আরও একটি অবিস্ফোরিত ককটেল পড়ে রয়েছে। সে সময় আশপাশের এলাকায় সবাই আতঙ্কিত হয়ে যায়।

বিক্ষোভ মিছিল শেষে ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহাবুদ্দীন ইমন বলেন,,স্বৈরাচার ও তাদের গডফাদার শেখ হাসিনা জনরোষে পড়ে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে গেলেও তাদের কার্যক্রম থেমে নেই। বিএনপি গণতান্ত্রিক ধারায় দেশ পরিচালনা করছে এবং ১৭ বছরে যারা মানুষের ওপর জুলুম-নির্যাতন চালিয়েছে, তাদের বিচার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সেই বিচার কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করতে এবং দেশের মানুষকে অশান্তিতে রাখতে তারা আবারও আগুনবাজি ও ককটেলবাজি শুরু করেছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের ছাত্রসমাজ পতিত স্বৈরাচারের এ ধরনের কোনো কার্যক্রম মেনে নেবে না। যারা ককটেল নিক্ষেপের সঙ্গে জড়িত, তাদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাই।

বিক্ষোভ মিছিলে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মামুনুর রহমান, আবির রায়হান, আনিসুর রহমান আনিস, শামীম শেখ, জিয়া খন্দকারসহ ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।