তাপ সহনশীল লাউয়ের জাত উদ্ভাবনে হাবিপ্রবির সাফল্য

হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) কৃষি অনুষদের জেনেটিক্স ও প্ল্যান্ট ব্রিডিং বিভাগের গবেষক মো. শফিকুল ইসলাম লাউয়ের তাপ সহনশীল হাইব্রিড উদ্ভাবনে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছেন।
সোমবার (৩১ আগস্ট) বেলা ১১টায় কৃষি অনুষদের ভিআইপি কনফারেন্স রুমে এ গবেষণা সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
মো. শফিকুল ইসলাম ৫৮টি লাউয়ের জেনোটাইপের জেনেটিক বৈশিষ্ট্য ও তাপ সহনশীলতা মূল্যায়ন করে ৫টি সম্ভাবনাময় হাইব্রিড নির্বাচন করেছেন। গবেষণার উদ্দেশ্য ছিল উচ্চ তাপমাত্রা ও প্রতিকূল পরিবেশে লাউয়ের উৎপাদনশীলতা বজায় রাখা এবং ভবিষ্যতে উন্নত জাত উদ্ভাবনের ভিত্তি তৈরি করা।
গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক অধ্যাপক ড. মো. হাসানুজ্জামান বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে তাপসহনশীল সবজি জাত উদ্ভাবন সময়ের গুরুত্বপূর্ণ দাবি। শফিকুলের গবেষণায় নির্বাচিত ৫টি হাইব্রিড ভবিষ্যতে উন্নত জাত উদ্ভাবনের ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।
গবেষক মো. শফিকুল ইসলাম জানান, গবেষণার ফলাফল বাংলাদেশের কৃষি উৎপাদনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে বলে আশা করছি। উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় সহযোগিতা প্রদানের জন্য ব্র্যাকের সহযোগী পরিচালক, গবেষণা বিভাগের প্রধান, সহকর্মী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। পাশাপাশি তত্ত্বাবধায়ক, সহতত্ত্বাবধায়ক, শিক্ষকবৃন্দ, পরিবার ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
বর্তমানে তিনি ব্র্যাক সিড অ্যান্ড এগ্রো এন্টারপ্রাইজের সবজি গবেষণা বিভাগে ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত।
সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. এনামুল্লাহ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া উপ-উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ, রেজিস্ট্রার, ডিন, পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ও কৃষি অনুষদের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, গবেষণা তত্ত্বাবধায়ক ও সহতত্ত্বাবধায়কসহ শিক্ষক, গবেষক ও কর্মকর্তারা অংশ নেন।



