logo

ক্ষোভেই রেলের কর্মীরা রাবি শিক্ষার্থী দেখলেই চড়াও হচ্ছে: আম্মার

ক্ষোভেই রেলের কর্মীরা রাবি শিক্ষার্থী দেখলেই চড়াও হচ্ছে: আম্মার
রাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার। ছবি: এশিয়া পোস্ট

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার জানিয়েছেন, রাবি স্টেশনে যাত্রাবিরতি ও টিটিইকে বরখাস্তের ক্ষোভেই রেলের কর্মীরা রাবি শিক্ষার্থী দেখলেই চড়াও হচ্ছে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে রেলওয়ে কর্মীদের সংঘাতের বিষয়ে এশিয়া পোস্টের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার জানান, রেলের নিরাপত্তাকর্মীদের ব্যবহার অত্যন্ত খারাপ। গত জুলাই মাসে আমাদের এক শিক্ষার্থীকে হেনস্তার পর আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশনে যাত্রাবিরতি ও টিটিইকে বরখাস্তের ঘটনা যেন তারা মেনে নিতে পারছে না। আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে যাত্রাবিরতি কার্যকর হবে। এর ক্ষোভেই রেলের কর্মীরা রাবি শিক্ষার্থী দেখলেই চড়াও হচ্ছে।

জানা গেছে, ২০ সেপ্টেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী আইয়ুব আলীকে বেধড়ক পেটান রেলওয়ে নিরাপত্তাকর্মীরা। ‘চাকরি গেলে যাবে, তবু দুই একটা ছাত্র মরুক’ বলে হামলা করার অভিযোগ ওঠে নিরাপত্তাকর্মীদের বিরুদ্ধে। আইয়ুব আলী বর্তমানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (রামেক) এ চিকিৎসারত আছেন। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

এরই প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাজশাহী স্টেশনে গিয়ে ভাঙচুর চালান। এ ঘটনায় প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ৪ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।

রসায়ন বিভাগের শিক্ষার্থী আসিফ হাসান এশিয়া পোস্টকে জানান, শুধু রাবির শিক্ষার্থী পরিচয় জানতে পারলেই রেলকর্মীরা আমাদের সঙ্গে বাজে আচরণ করেন। এক মাসের মধ্যেই চারবার আমাদের শিক্ষার্থীদের মারধরের ঘটনা ঘটেছে। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হওয়ায় দিনদিন এ ধরনের ঘটনা বাড়ছে। কোনো বিচার না পেয়ে গতকাল শিক্ষার্থীরা স্টেশনে ভাঙচুর করেছে।

রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার এশিয়া পোস্টকে জানান, আমাদের কোনো শিক্ষার্থী যদি কোনো অন্যায় করে তাহলে বিদ্যমান আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। তবে গতকাল যেভাবে আমার ভাইকে মারধর করে মাটিতে ফেলে রাখা হয়েছিল এটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপও নেয়নি, যার কারণে ভাঙচুরের মতো ঘটনা ঘটেছে। আশা করি, সামনের দিনে কোনো রাবি শিক্ষার্থীর সঙ্গে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটবে না।