টেকসই খামার ব্যবস্থাপনায় বাকৃবিতে আন্তর্জাতিক কর্মশালা

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বাকৃবি) দুগ্ধ ও গরুর মাংস উৎপাদন ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, সঠিক পুষ্টি, পশুর কল্যাণ এবং টেকসই খামার ব্যবস্থাপনা বিষয়ে দুদিনব্যাপী আন্তর্জাতিক কর্মশালা শুরু হয়েছে।
সোমবার (২০ জুলাই) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কক্ষে কর্মশালার উদ্বোধন করা হয়। ‘ইন্টারন্যাশনাল ওয়ার্কশপ অন ডেইরি অ্যান্ড বিফ প্রোডাকশন সিস্টেমস: নিউট্রিশন, ফিড ব্যালান্সিং, ওয়েলফেয়ার অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি’ শীর্ষক এই আয়োজন চলবে ২১ জুলাই পর্যন্ত।
কর্মশালার গ্লোবাল একাডেমিক পার্টনার হিসেবে রয়েছে অস্ট্রেলিয়ার মারডক বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব কানেকটিকাট এবং অস্ট্রেলিয়ার জেমস কুক বিশ্ববিদ্যালয়। এতে ‘কি ইন্ডাস্ট্রিয়াল স্পনসর’ হিসেবে রয়েছে নারিশ এবং ‘কি পার্টনার স্পনসর’ হিসেবে রয়েছে প্রোভেট রিসোর্সেস লিমিটেড। কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, গবেষক, শিক্ষার্থী, প্রাণিসম্পদ খাতের কর্মকর্তা, উদ্যোক্তা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (রুটিন দায়িত্ব) ড. মো. বয়জার রহমান।
ডেইরি সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আশিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন অস্ট্রেলিয়ার মারডক বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. পিয়েত্রো চেলি, যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব কানেকটিকাটের সহকারী অধ্যাপক ড. মো. ইলিয়াস উদ্দিন এবং বাকৃবির পশু পুষ্টি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. শফিকুর রহমান শিশির।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে ফজলুল হক ভূঁইয়া বলেন, এ ধরনের আন্তর্জাতিক কর্মশালা তরুণ গবেষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন জ্ঞান অর্জন এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবনার গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করে। এর মাধ্যমে তারা বুঝতে পারবে কীভাবে বাংলাদেশের ডেইরি ও বিফ উৎপাদন ব্যবস্থাকে ভবিষ্যতের চাহিদা ও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে উন্নত করা যায়।
আয়োজকদের প্রশংসা করে তিনি আরও বলেন, এ কর্মশালায় গঠনমূলক আলোচনা ও মতবিনিময়ের মাধ্যমে গবেষণা, শিক্ষা ও শিল্প খাতের মধ্যে সহযোগিতা আরও জোরদার হবে। একই সঙ্গে মাঠপর্যায়ে আধুনিক প্রযুক্তি ও গবেষণার ফলাফল বাস্তবায়নের পথ সুগম হবে, যা দেশে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দুগ্ধ ও গরুর মাংসের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
