logo
Advertisement

সরকারি চাকরিতে ভাইভা নম্বর বাড়ানোর প্রতিবাদে ইবিতে শিবিরের বিক্ষোভ

এশিয়া পোস্ট নিউজ
এশিয়া পোস্ট নিউজইবি
সরকারি চাকরিতে ভাইভা নম্বর বাড়ানোর প্রতিবাদে ইবিতে শিবিরের বিক্ষোভ
ইসলামী ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ। বুধবার রাতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে। ছবি: এশিয়া পোস্ট

সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় ভাইভাতে নম্বর বাড়ানোর প্রতিবাদে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে ইসলামী ছাত্রশিবির।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টায় মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়া মোড় থেকে বের হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে প্রধান ফটকে গিয়ে প্রতিবাদ সমাবেশে মিলিত হয়।

এতে সংগঠনটির বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সভাপতি ইউসুফ আলী ও সেক্রেটারি রাশেদুল ইসলাম রাফির নেতৃত্বে সংগঠনটির চার শতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন।

বিক্ষোভ মিছিলে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা ‘ভাইভা না মেধা, মেধা মেধা’, ‘ভাইভা প্রথার বিরুদ্ধে, ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, ‘ভিক্ষা লাগলে ভিক্ষা নে, মেধাবীদের মুক্তি দে’, ‘মামা খালুর বিরুদ্ধে ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, ‘মামা খালুর সুপারিশ, চলবে না চলবে না’, ‘আমার সোনার বাংলায়, বৈষম্যের ঠাঁই নাই’, ‘জেগেছে রে জেগেছে, ইবিয়ানরা জেগেছে’, ‘সারা বাংলায় খবর দে, ভাইবা প্রথার কবর দে’, ‘আপা গেছে যেই পথে, ভাইয়া যাবে সেই পথে’, ‘অ্যাকশন টু অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

সমাবেশে শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুফ আলী বলেন, সরকার সব জায়গায় দলীয়করণের জন্য ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ভাইভাতে অস্বাভাবিক মার্ক বৃদ্ধি করেছে। ভাইভার মাধ্যমে দলীয় কোটায় নিয়োগ দিয়ে এবং চাকরির লোভ দেখিয়ে রাষ্ট্রটাকে একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়। যার উৎকৃষ্ট উদাহরণ আমরা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে দেখতে পেয়েছি।

তিনি আরও বলেন, এই তো গত কয়েক দিন আগে, গত ৫ তারিখে আমরা দেখতে পেয়েছি এলাকার স্থানীয় কিছু সন্ত্রাসীকে চাকরির লোভ দেখিয়ে সন্ত্রাসবাদ কায়েম করতে চেয়েছিল। তারা চায় সন্ত্রাসীগুলোকে চাকরি দিয়ে দেশের প্রতিটি প্রান্তরে, ক্যাম্পাসগুলোতে সন্ত্রাসবাস কায়েম করতে।

ইউসুফ আলী বলেন, স্পষ্ট ভাষায় বলে দিতে চাই, তাদের এই দুরভিসন্ধি আমরা সফল হতে দেব না। আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, গতদিন যে সমস্ত সন্ত্রাসীরা তাদের এই ভাইভা প্রথার, তাদের এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে যে সমস্ত সন্ত্রাসীরা অস্ত্র হাতে ক্যাম্পাসের মধ্যে এসেছে, তাদের সকলকে অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনতে হবে। যদি না আনা হয়, তাহলে পরবর্তী পরিস্থিতির জন্য প্রশাসনকে দায় নিতে হবে।