রমনায় বিল্লাল হত্যা/আমাকে ফাঁসানো হচ্ছে: ভিডিও বার্তায় দিদারুল

রাজধানীর রমনা থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহ্বায়ক বিল্লাল হোসেন হত্যার ঘটনায় জড়িত নন বলে দাবি করেছেন রমনা থানা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক দিদারুল ইসলাম বাবু। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করা একাধিক ভিডিও বার্তায় তিনি দাবি করেন, এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই এবং তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে জড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
ভিডিও বার্তায় দিদারুল ইসলাম বাবু বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে আমি কোনোভাবেই জড়িত নই। একটি স্বার্থান্বেষী মহল নিজেদের ফায়দা হাসিলের উদ্দেশ্যে আমাকে ফাঁসানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বাবু বলেন, ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হোক। একই সঙ্গে প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে নিরপরাধ ব্যক্তিদের যেন হয়রানি বা ফাঁসানো না হয়, সে বিষয়েও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
এক ভিডিও বার্তায় এই যুবদল নেতা দাবি করেন, যেদিন থেকে আমার কমিশনার প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি আলোচনায় আসে, সেদিন থেকেই একটি পক্ষ আমার বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র শুরু করে।
তিনি দাবি করেন, নিহত বিল্লালের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত সম্পর্ক অত্যন্ত ভালো ছিল। একটি পক্ষ এলাকায় নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের লক্ষ্যে দলের ত্যাগী নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে নানা ধরনের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।
গত ৮ জুন রমনার মৌচাক আনারকলি মার্কেট-সংলগ্ন এলাকায় পিটিয়ে হত্যা করা হয় রমনা থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক আহ্বায়ক বিল্লাল হোসেনকে। এ ঘটনায় ৯ জুন বিল্লাল হোসেনের স্ত্রী আছিয়া খাতুন বাদী হয়ে রমনা থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় দিদারুল ইসলাম বাবুসহ ২১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৭-৮ জনকে আসামি করা হয়েছে। এ মামলায় ইতোমধ্যে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
.png)

