ঢামেকে কারাবন্দির মৃত্যু, হয়রানির অভিযোগ পরিবারের

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মেহেদী কাজী (১৯) নামে এক কারাবন্দির মৃত্যু হয়েছে। তিনি মাদারীপুরের শিবচর এলাকার বাসিন্দা।
এদিকে যথাযথ চিকিৎসার অভাবে মৃত্যুর অভিযোগ করেছেন তার পরিবার। এ ছাড়া হাসপাতালের মর্গে মরদেহ দেখতে গিয়ে পুলিশ ও আনসার সদস্যদের হামলার শিকার হয়েছেন বলেও অভিযোগ করেছেন পরিবার।
শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে তাকে ঢামেক হাসপাতালে আনা হয়। বিকেলে তার মৃত্যু হয় জানিয়েছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।
ঢাকা মেডিকেলে কর্মরত পুলিশের এসআই আক্তার (সিটিএসবি) জানান, মেহেদী কাজী কারাগারে থাকাকালে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হন। শনিবার সকালে তাকে ঢামেক হাসপাতালে আনা হয়। সেখানে বিকেল ৩টার দিকে তার মৃত্যু হয়। বর্তমানে মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
তিনি বলেন, ময়নাতদন্ত শেষে কারা কর্তৃপক্ষ পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করবে। মেহেদী কাজীর বাবার নাম ফারুক কাজী এবং মায়ের নাম শিপু বেগম। তিনি কামরাঙ্গীরচর থানার একটি অপহরণ মামলার আসামি ছিলেন।
মেহেদীর ভাই হৃদয় জানান, তার ছোট ভাই গত সাত মাস ধরে একটি মিথ্যা মামলায় কারাগারে বন্দি ছিলেন। ঘটনার দিন কারাগার থেকে ফোন করে তাদের জানানো হয়, মেহেদী অসুস্থ। খবর পেয়ে তারা হাসপাতালে আসেন। হাসপাতালে এসে তিনি তার ভাইকে হাতকড়া পরানো এবং পায়ে বেড়ি লাগানো অবস্থায় দেখতে পান। তাকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাওয়ার সময় মেহেদী হোঁচট খেয়ে পড়ে যান। একপর্যায়ে হৃদয়ের কোলেই তার মৃত্যু হয় বলে দাবি করেন তিনি।
মেহেদীর বোন ইতি জানান, আমার ভাইয়ের আগে কোনো রোগ ছিল না। চিকিৎসা না পাওয়ায় তার ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে।
ইতি অভিযোগ করে আরও বলেন, মরদেহের কাছে যেতে চাইলে পুলিশ ও আনসার সদস্যরা তাদের ওপর লাঠিচার্জ করেন। এ সময় তাকে ও তার মাকে মারধর করা হয়। পেটে লাথি মারা হয়েছে এবং তার মায়ের জামা ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে।
-ab6bcb.jpg)
