logo

রাজধানীতে তরমুজের দামাদামি নিয়ে সংঘর্ষ

রাজধানীতে তরমুজের দামাদামি নিয়ে সংঘর্ষ

রাজধানীর উত্তরায় তরমুজের দামাদামি নিয়ে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে তিনজন ক্রেতা আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ছয়জন দোকানদারকে আটক করেছে পুলিশ। 

রোববার (৮ মার্চ) বিকেলে উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরের ২০ নম্বর সড়কের ২ নম্বর আবাসিক ভবনের নিচ তলায় দিকে এ সংঘর্ষ ঘটে।

আহত তিন ক্রেতা হলেন চান মিয়া, শিপন মিয়া ও মনির হোসেন। এ ঘটনায় ‘মায়ের দোয়া ফ্রুট হাউস’ এবং ‘বিসমিল্লাহ লাইভ বেকারি’র ৬ বিক্রেতাকে আটক করেছে পুলিশ। তবে তাদের পরিচয় জানা যায়নি।

উত্তরা ১১ নম্বর সেক্টরের বাসিন্দারা জানান, আবাসিক ভবনের নিচতলায় অবৈধভাবে গড়ে ওঠা ফল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে তরমুজের দামাদামি নিয়ে বিক্রেতাদের সঙ্গে তর্কবিতর্ক হয়। একপর্যায়ে ক্রেতারা তরমুজের দাম কম বলায় বিক্রেতারা হামলা চালায়। হামলাকালে মায়ের দোয়া ফ্রুট হাউস এবং বিসমিল্লাহ লাইভ বেকারির স্টাফরা চাকু, লোহার রড ও এসএস পাইপ নিয়ে ক্রেতাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। পরে উত্তরা পশ্চিম থানা–পুলিশ গিয়ে ঘটনাস্থল থেকে দুই দোকানের ছয়জনকে আটক করে।

জানা গেছে, আহতদের মধ্যে মাথায় রক্তাক্ত জখম হয়ে চান মিয়া নামের একজন ক্রেতা উত্তরার কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ছাড়া উভয় পক্ষের মধ্যে ঘটনাস্থলে উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

আহত শিপন মিয়া জানান, মায়ের দোয়া ফ্রুট হাউস থেকে তরমুজ কিনতে আসার পর দরদাম চলছিল। পরে দাম কম বলার কারণে তরমুজ ব্যবসায়ী তর্কে জড়িয়ে পরে। তখন ফল ব্যবসায়ীরা তার সঙ্গে থাকা বন্ধু চান মিয়াকে চাকু দিয়ে মাথায় আঘাত করে। এ নিয়ে প্রতিবাদ করায় আমাকেও এসএস পাইপ দিয়ে অতর্কিত হামলা চালিয়ে আহত করে। পরবর্তীতে ফ্রুট হাইজের পাশের বিসমিল্লাহ লাইভ বেকারির স্টাফরাও এসে হামলা চালায়।

এ বিষয়ে উত্তরা পশ্চিম থানার উপপরিদর্শক (এসআই) দীপঙ্কর দাস বলেন, তরমুজের দাম কম বলায় ব্যবসায়ীদের হামলায় একজন আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। আরও দু-একজন কিছুটা আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ছয়জনকে আটক করা হয়েছে।

আটকদের পরিচয়ের বিষয়ে দীপঙ্কর বলেন, জড়িতদের আটক করে থানায় রেখে আরেকটি ঘটনাস্থলে এসেছি। তাই তাদের পরিচয় এই মুহূর্তে জানাতে পারছি না। ভুক্তভোগীরা অভিযোগ দিলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।