logo

‘বিমানবন্দরে বার বার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা অবশ্যই এলার্মিং’

‘বিমানবন্দরে বার বার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা অবশ্যই এলার্মিং’
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক বিমানবাহিনীর গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ। ছবি: এশিয়া পোস্ট

বিমানবন্দরে বার বার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাকে এলার্মিং হিসাবে দেখছেন হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক বিমানবাহিনীর গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ। বিমানবন্দরের ৯ নম্বর গেটের সামনে শুক্রবার (৫ জুন) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি।

এর আগে শুক্রবার রাত ১১টা ২৪ মিনিটে ৯ নম্বর গেটের মালামাল রাখার স্থানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পরে বিমানবন্দরের ফায়ার ইউনিট, ফায়ার সার্ভিস ও বিমান বাহিনীর চেষ্টায় রাত ১১টা ৩৮ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক রাগীব সামাদ বলেন, ‘আগে যে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছিল, সেটি বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে হয়েছিল বলে জানতে পেরেছি। এখানে যে অপারেশগুলো চলছিল, সেটি আসলে স্বাস্থ্যকরভাবে ছিল না। এখানে আমরা সাময়িক যে কুরিয়াটি করেছি, দিনে দিনে এখানকার স্পটটি বাড়ছে।’

তিনি বলেন, এখানে ওয়্যারহাউজ করার মতো অবস্থা নেই। যেসব কুরিয়ার আসবে, সেগুলো অত্যান্ত দ্রুততার সঙ্গে ক্লিয়ার করা উচিত। কিন্তু আস্তে আস্তে মাত্রা বেড়ে যাচ্ছে।

রাগীব সামাদ বলেন, বৃহস্পতিবার (৪ জুন) রাত পর্যন্ত হিসাব অনুযায়ী প্রায় ১৪৭ টন কুরিয়ার এখানে জমা আছে। আসলে এটা তো থাকা উচিত না। দ্রুততার সঙ্গে নেওয়া উচিত। যারা কুরিয়ার করছে এবং কুরিয়ার অর্ডার করছে, তাদেরও দ্রুততার সঙ্গে মালামাল নিয়ে যাওয়া উচিত। যাতে অগ্নিঝুঁকি না হয়।

বিমানবন্দরের এই কর্মকর্তা বলেন, অগ্নিঝুঁকি যেন না হয়, তার জন্যই আমাদের চেয়ারম্যান এবং ফায়ার সার্ভিসের ডিজির চেষ্টায় আমার বিমানবন্দরে ফায়ারের দুটি ইউনিট রেখেছি। যাতে যে কোনো ঘটনায় দ্রুত রেসপন্স করতে পারি।

গত বছরের ১৮ অক্টোবর শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজ কমপ্লেক্সে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। পরে ১৩টি ফায়ার স্টেশনের ৩৭টি ইউনিটের প্রায় সাড়ে ছয় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। ওই সময়ে উড়োজাহাজ চলাচল বন্ধ থাকে। তখন আগুন নেভাতে গিয়ে আনসার বাহিনীর ২৫ সদস্যসহ মোট ৩৫ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়।