এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে মরদেহ উদ্ধার, বাসচালকসহ গ্রেপ্তার ৩

ঢাকার বনানী এলাকায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ওপর থেকে উদ্ধার হওয়া ইসমাইল হোসেন (৫০) হত্যা মামলার প্রধান সন্দেহভাজন বাসচালক সোহেল রানাকে (৪০) গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-১। এ ঘটনায় বাসের সুপারভাইজার সাজু (২৮) ও হেলপার মনিরকেও (১৮) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (৪ আগস্ট) রাতে এ তথ্য জানিয়েছেন র্যাব-১-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) শাহ আলম।
তিনি জানান, শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাতে ডিএমপির বনানী থানাধীন মহাখালী এলাকার ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতালের সামনে অভিযান চালিয়ে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এর আগে গত ৪ সেপ্টেম্বর সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে বনানী এলাকায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ওপর থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। আঙুলের ছাপের মাধ্যমে পরে তার পরিচয় শনাক্ত করা হয়। নিহত ব্যক্তির নাম ইসমাইল হোসেন। তিনি জামালপুর সদর উপজেলার জালাল উদ্দিনের ছেলে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শাহ আলম জানান, জমি বিক্রির পাঁচ লাখ টাকা নিয়ে জামালপুর থেকে গাজীপুরে ফিরছিলেন ইসমাইল। পথে তাকে শ্বাসরোধে হত্যার পর লাশ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ওপর ফেলে দেওয়া হয়।
ঘটনার পর হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে ছায়াতদন্ত শুরু করে র্যাব-১। সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় বাসচালক সোহেল রানার সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া যায়।
একই ঘটনায় পুলিশের সঙ্গে যৌথ অভিযানে বাসের চালক, সুপারভাইজার সাজু ও হেলপার মনিরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানান র্যাবের এই কর্মকর্তা।
শাহ আলম বলেন, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ‘রাজ ক্লাসিক’ বাসটি (রেজিস্ট্রেশন নম্বর: সিরাজগঞ্জ-হ-১১-০০৮৫) জব্দ করা হয়েছে।
গ্রেপ্তার আসামিকে ডিএমপির বনানী থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে র্যাব।



