logo

ডিবির অভিযানে উদ্ধার হলো যেসব ভেজাল ঔষুধ

এশিয়া পোস্ট প্রতিবেদক
এশিয়া পোস্ট প্রতিবেদক
ডিবির অভিযানে উদ্ধার হলো যেসব ভেজাল ঔষুধ
উদ্ধারকৃত ভেজাল ঔষুধ। ছবি: ডিএমপির সৌজন্যে

রাজধানীর মোহাম্মদপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ ভেজাল ও অনুমোদনহীন ঔষুধ এবং ঔষুধ তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জামসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা ওয়ারী বিভাগ। এসব ঔষুধ রাজধানীর বিভিন্ন ফার্মেসিতেই বিক্রি করা হতো।

বুধবার (৭ অক্টোবর) ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এসব ভেজাল ঔষুধের নাম জানান ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মো. শফিকুল ইসলাম।

পুলিশের অভিযানে বিভিন্ন ধরনের সিরাপ, ক্যাপসুল, শ্যাম্পু, ফেসওয়াশ, হাইজিন ওয়াশ, সাবান, পাউডার, ট্যাবলেটসহ বিপুল পরিমাণ ভেজাল ঔষুধ এবং বিভিন্ন ধরনের প্যাকেজিং সামগ্রী উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধারকৃত সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে— ১৯২ টি KIDZ Omega Liquid 100ml সিরাপ, ১০০ বক্স LACTOFLEX Capsules, ৩০টি Facy GLOW Face Wash, ১৫০টি Detox Plus Shampoo, ৭০টি Pedia Vox Kid Syrup, ৩০০ পাতা Osearc-CD ক্যাপসুল, ৫ কেজি Oriva Hapes সাদা পাউডার, ৫০টি BIOKET Active Shampoo, ৮০০টি KIDICARE Syrup Plus 100ml, ৭০টি ZERO DAN Shampoo, ৪০টি KETCOR-Z Shampoo এবং ১০টি Nutramide Syrup.

এ ছাড়া ১৫০টি INTA CLEAN HYGIENE WASH -এর খালি মোড়ক, মোড়কবিহীন ৮০ বোতল Hygiene Wash, ৩০০টি PERMIMITE Soap-এর খালি মোড়ক, ৮০টি Spiruva (Spirulina) লিফলেট, ১০০টি ফেসওয়াশের পলিথিন, ৩০০টি লেবেলবিহীন সিরাপের বোতল, ৪০০টি সাদা প্লাস্টিকের কৌটা, ১০০টি লেবেলবিহীন সাদা ট্যাবলেট এবং ৫০০টি সবুজ রঙের খালি ক্যাপসুল সেল উদ্ধার করা হয়।

অভিযানে ঔষুধ তৈরির কাজে ব্যবহৃত ৩টি সিলিন্ডার, ১টি ফুয়েল লাগানোর মেশিন, ২টি ক্যাপসুল ভরার মেশিন, ১০ কেজি ফুয়েল (পলিথিন), ৬টি ক্যাপসুল ভরার যন্ত্রাংশ এবং ২টি লেভেল লাগানোর সাঁজ জব্দ করা হয়েছে।

ডিবি ওয়ারী বিভাগ জানায়, উদ্ধারকৃত সামগ্রীর মধ্যে শিশুদের জন্য ব্যবহৃত কয়েকটি সিরাপ ও লিকুইড পণ্যও রয়েছে। ভেজাল ও অনুমোদনহীন এসব ঔষুধ শিশুদের জীবন ও স্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বিষয়টি বিশেষ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।

ভেজাল ঔষুধ সামগ্রী ক্রয়-বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে নিজেদের হেফাজতে রাখার অভিযোগে গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।

এই ভেজাল ঔষুধের উৎস, প্রস্তুতকারক, সরবরাহকারী এবং এর সঙ্গে জড়িত অন্য ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলেও পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়।