logo
Advertisement

কুপিয়ে আহত শ্রমিকদল নেতার মৃত্যু, যুবদল নেতার বিরুদ্ধে মামলা

এশিয়া পোস্ট প্রতিবেদক
কুপিয়ে আহত শ্রমিকদল নেতার মৃত্যু, যুবদল নেতার বিরুদ্ধে মামলা
শ্রমিকদল নেতা আবু বক্কর সিদ্দিক রাসেল। ছবি: সংগৃহীত

‎রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের সামনে কুপিয়ে আহত করার ঘটনায় শ্রমিকদল নেতা আবু বক্কর সিদ্দিক রাসেল চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। পরিবারের দাবি ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক জাহিদ হোসেন মোড়লের নির্দেশে তাকে কুপিয়ে আহত করা হয়। এ ঘটনায় জাহিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন শ্রমিকদল নেতা রাসেলের স্ত্রী শিরিন আক্তার।

Advertisement

‎বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুর দেড়টার দিকে জাতীয় অর্থোপেডিক ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে (নিটোর) তিনি মারা যান।

এ বিষয়ে তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) ইবনে মিজান এশিয়া পোস্টকে জানান, শ্রমিকদল নেতার মৃত্যুর পর তার মরদেহ সুরতহাল শেষে শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, মৃত্যুর আগে রাসেলকে কুপিয়ে আহত করার ঘটনায় নিহতের স্ত্রী শিরিন আক্তার ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক জাহিদ হোসেন মোড়লকে প্রধান আসামি করে শেরেবাংলা নগর থানায় একটি হত্যা চেষ্টা মামলা করেন। যেহেতু তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন, এখন এটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হবে।

‎শ্রমিকদল নেতা রাসেল স্ত্রী শিরিন আক্তার এশিয়া বলেন, যুবদল নেতা জাহিদ মোড়লের নির্দেশে আমার স্বামীকে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের সামনে তার সন্ত্রাসী বাহিনী কুপিয়ে আহত করে। এরপর তাকে চিকিৎসার জন্য পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। আজকে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। আমি তাকে কুপিয়ে আহতের ঘটনায় হত্যা চেষ্টা মামলা করেছিলাম। সেসময় হুকুমের নির্দেশদাতা জাহিদ মোড়লসহ অনেকে আদালত থেকে জামিন নিয়ে আসে।

শিরিন বলেন, আমার স্বামী ৩১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি পদে মনোনয়ন জমা দিয়েছে। তাকে জাহিদ মোড়ল প্রার্থী হতে নিষেধ করেছিল। সে না শোনায় এ হামলার ঘটনা ঘটেছে। জাহিদ মোড়ল তার সিন্ডিকেটের লোক বসাবে তাই আমার স্বামীকে সরিয়ে দিতে এই হামলা করেছে। আমার স্বামীকে জাহিদ মোড়লের নির্দেশেই হত্যা করা হয়। আমি আমার স্বামী হত্যার বিচার চাই।

‎উল্লেখ্য, গত ১৩ আগস্ট রাত ৮টায় শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের সামনে হামলা করে গুরুতর আহত করা হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর স্ত্রী মামলা করেন। মামলায় ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জাহিদ হোসেন মোড়লকে প্রধান আসামি করে আরো ২১ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাত ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করে শেরে বাংলা নগর থানায় মামলা দায়ের করেন।

‎অন্য আসামিরা হলেন— পিচ্চি রাকিব, জহিরুল ইসলাম বিপ্লব, পিচ্চি জুয়েল, মনির হোসেন, মনির হোসেন শান্ত, পাপ্পু, আসাবুর রহমান, লিমন, মামা সাইফুল, সোহেল, সুজন ওরফে কালা সুজন, আল আমিন, ছোট ফেরদৌস, জাফর, জসিম, ইমরান, খাইরুল, ইমরান হোসেন বায়েজিদ, উজ্জল, জীবন ও ফেরদৌস।