logo

আনসার সদস্যের পচাগলা মরদেহ উদ্ধার

আনসার সদস্যের পচাগলা মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর কদমতলী থানাধীন কমিশনার মোড় এলাকায় একটি ভাড়া বাসা থেকে শারমিন আক্তার শেলী (২৭) নামের এক নারী আনসার সদস্যের পচাগলা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। প্রাথমিকভাবে পুলিশ এটি হত্যাকাণ্ড হতে পারে বলে ধারণা করছে।

পুলিশ জানায়, রোববার (২৬ এপ্রিল) রাত আড়াইটার দিকে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ একটি কল আসে। সেই কলের সূত্র ধরে কদমতলী কমিশনার রোডের ৯৮৪/১ নম্বর বাড়ির চতুর্থ তলায় গিয়ে দরজায় তালাবদ্ধ একটি কক্ষ থেকে তীব্র দুর্গন্ধ টের পায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পরে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করলে মেঝেতে চিত অবস্থায় এক নারীর পচাগলা মরদেহ দেখতে পায় তারা।

কদমতলা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ মুশাহিদুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মরদেহের অবস্থা দেখে ধারণা করা হচ্ছে, কয়েকদিন আগে তার মৃত্যু হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি হত্যাকাণ্ড বলে মনে হচ্ছে। কেউ তাকে হত্যা করে ঘরের দরজায় তালা দিয়ে পালিয়ে গেছে—এমন সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিতভাবে বলা যাবে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিহত শারমিন আক্তারের স্থায়ী ঠিকানা জুরাইন এলাকার পূর্ব ধোলাইপাড় ৩ নম্বর গলিতে। তিনি বর্তমানে কদমতলীর ওই বাসায় বসবাস করছিলেন। তার বাবার নাম শাহ আলম হাওলাদার।

বাড়ির মালিক আঞ্জুমান আরা ডলি জানান, প্রায় ছয় মাস আগে মো. মামুন নামে এক ব্যক্তি স্ত্রী-পরিচয়ে শারমিনকে নিয়ে ওই বাসা ভাড়া নেন। ভাড়ার সময় তারা কাবিননামা দেখিয়েছিলেন। তিনি বলেন, আমি মূলত বরিশালে থাকি। দুই মাস পরপর এসে ভাড়া তুলি। এর বেশি তাদের সম্পর্কে কিছু জানি না।

পুলিশ জানিয়েছে, শারমিনের সঙ্গে বসবাসকারী কথিত স্বামী মো. মামুন বর্তমানে পলাতক। তাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি ঘটনার রহস্য উদ্‌ঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।