যাত্রাবাড়ীতে অটোরিকশা-মোটরসাইকেল সংঘর্ষে নিহত ১

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর শনির আখড়া এলাকায় সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে মো. সাজিত হাসান (৩৫) নামে এক মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু হয়েছে। তিনি ফার্মগেটের আলমদিনা ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি লিমিটেডে কর্মরত ছিলেন।
রোববার (১৭ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে দুর্ঘটনাটি ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে দুপুর ১২টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের বাবা সুলাইমান জানান, তার ছেলে সাজিত প্রতিদিনের মতো মোটরসাইকেলে করে কর্মস্থলে যাচ্ছিলেন। শনির আখড়া এলাকায় পৌঁছালে একটি সিএনজি অটোরিকশার সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।
তিনি আরও জানান, তাদের গ্রামের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ থানার শ্রীরামপুর গ্রামে। বর্তমানে পরিবার নিয়ে রাজধানীর কদমতলীর মেরাজনগর এলাকায় বসবাস করতেন সাজিত। তিনি এক ছেলে ও দুই মেয়ের জনক ছিলেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে জানানো হয়েছে।
এদিকে রাজধানী শ্যামপুর ধোলাইপাড় জালালাবাদ হামিদা সিএনজি পাম্পের সামনে অটোরিকশার ধাক্কায় মো. শফিকুল ইসলাম (৪০) নামে আরেক ব্যক্তি নিহত।
রোববার (১৭ মে) বিকেল ৩টার দিকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি বিভাগে আনলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা (পথচারী) মিজান জানান, শ্যামপুরে জালালাবাদ সিএনজি পাম্পের সামনে দ্রুতগতির একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার সঙ্গে তার ভ্যানগাড়ির ধাক্কা লাগে। এতে ভ্যানগাড়ি উল্টে গুরুতর আহত হন তিনি। পরে আমরা তাকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে এলে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরও জানান, নিহত শফিকুলে গ্রামের বাড়ি গাইবান্ধার পলাশবাড়ী থানার রাজনগর গ্রামে। তার বাবার নাম শহীদ আলী। বর্তমানে পরিবারের সঙ্গে সবুজবাগের বাসাবো খেলার মাঠের পাশে পরিবারের সঙ্গে করতেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালর জরুরি বিভাগের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে।
