পুলিশের টিয়ারশেলে সড়ক ছাড়ল শ্রমিকরা, যান চলাচল স্বাভাবিক

রাজধানীর উত্তরায় ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজারের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন পোশাক শ্রমিকরা। এ সময় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করলে শ্রমিকরা রাস্তা থেকে সরে যান। এতে বেলা ১২টার দিকে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বেলা পৌনে ১১টার দিকে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের উত্তরার আজমপুর ও বিএনএস সেন্টার এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ করে আন্দোলন শুরু করে শ্রমিকরা। পরে তাদেরকে মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দিতে দফায় দফায় চেষ্টা চালায় পুলিশ। অবশেষে বেলা পৌনে ১২টার দিকে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে সড়ক থেকে শ্রমিকদের সরিয়ে দেয় পুলিশ।
সরেজমিনে দেখা যায়, ন্যূনতম বেতন ৩০ হাজার করার দাবিতে বেলা পৌনে ১১টায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের উত্তরার আজমপুর ও বিএনএস সেন্টার এলাকার সড়ক অবরোধ করেন গার্মেন্টস শ্রমিকরা। আন্দোলনের শুরু থেকেই তারা ‘দুনিয়ার মজদুর, এক হও, লড়াই কর’, ‘আমাদের দাবি মানতে হবে, মানতে হবে’, ‘এক দফা এক দাবি, বেতন বৃদ্ধি কর, করতে হবে’, ‘রক্তে আগুন লেগেছেরে ভাই, রক্তে আগুন লেগেছে’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।
এদিকে সড়ক অবরোধের কারণে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে ভোগান্তিতে পড়েন গন্তব্যে ফেরা মানুষেরা
ঘটনাস্থলে উপস্থিত উত্তরা জোনের পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, শুরু থেকেই শ্রমিকদের রাস্তা থেকে সরে দাঁড়াতে অনুরোধ করে পুলিশ। কিন্তু সড়ক ছাড়তে নারাজ শ্রমিকরা। কেউ কেউ পুলিশের ওপর মারমুখী আচরণও করেন। একপর্যায়ে শ্রমিকদের সরিয়ে দিতে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করা হয়। পরে ধাওয়া দিয়ে মহাসড়ক থেকে তাদের সরিয়ে দেওয়া হয়।
আন্দোলনরত শ্রমিকদের দাবি, তারা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করছিলেন। পুলিশ তাদের টিয়ারশেল নিক্ষেপ ও লাঠিপেটা করে সরিয়ে দিয়েছে।
পুলিশ কর্মকর্তারা বলেন, আমাদের সাধ্য অনুযায়ী শ্রমিকদের বুঝানোর চেষ্টা করেছি। কিন্তু গার্মেন্টস শ্রমিকরা বুঝতে নারাজ। উল্টো পুলিশের সঙ্গেই খারাপ ব্যবহার শুরু করে। অবশেষে সাধারণ মানুষ ও পথচারীদের কথা চিন্তা করে শ্রমিকদের মহাসড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
