logo

তেজগাঁও ও যাত্রাবাড়ীতে বিশেষ অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৭৭

তেজগাঁও ও যাত্রাবাড়ীতে বিশেষ অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৭৭

রাজধানীর সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ধারাবাহিক অভিযানের অংশ হিসেবে গত ২৪ ঘণ্টায় তেজগাঁও বিভাগ ও যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায় পৃথক অভিযানে মোট ৭৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। 

রোববার (৫ এপ্রিল) ডিএমপির প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগ রোববার দিনব্যাপী ও রাতভর বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৫৯ জনকে গ্রেপ্তার রা হয়। অভিযানে অংশ নেয় বিভাগের একাধিক থানা পুলিশের টিম, যারা নিজ নিজ এলাকায় চিহ্নিত অপরাধী, পরোয়ানাভুক্ত আসামি ও সন্দেহভাজনদের বিরুদ্ধে একযোগে অভিযান চালায়।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে নিয়মিত মামলার আসামি ১৩ জন, পুরাতন মামলার ছয়জন এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত চারজন রয়েছে। এ ছাড়া ডিএমপি অধ্যাদেশে ৩৬ জনকে আটক করা হয়, যাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরনের অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। 

অভিযানের সময় সন্দেহভাজনদের যাচাই-বাছাই, হটস্পট এলাকায় তল্লাশি এবং গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে চেকপোস্ট বসিয়ে নজরদারি জোরদার করা হয়।

অন্যদিকে, যাত্রাবাড়ী থানার পৃথক অভিযানে ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার (৪ এপ্রিল) নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে এসব ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এদের মধ্যে নিয়মিত মামলার ছয়জন, পুরাতন মামলার তিনজন এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানামূলে পাঁচজন রয়েছে। এ ছাড়া ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে চারজনকে তাৎক্ষণিক সাজা প্রদান করা হয়েছে, যা স্থানীয় পর্যায়ে অপরাধ প্রতিরোধে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

এ বিষয়ে ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার আরিফা আখতার প্রীতি বলেন, রাজধানীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আমাদের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অপরাধ প্রবণতা নিয়ন্ত্রণে রাখতে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি, নিয়মিত টহল জোরদার এবং স্পেশাল ড্রাইভ পরিচালনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে ছিনতাই, মাদক ব্যবসা, চুরি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম দমনে এসব অভিযান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

ডিএমপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং নাগরিকদের স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় এই ধরনের সমন্বিত অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।