logo

উৎসস্থলে বর্জ্য পৃথকীকরণ কার্যক্রম শুরু করল ডিএনসিসি

উৎসস্থলে বর্জ্য পৃথকীকরণ কার্যক্রম শুরু করল ডিএনসিসি
ছবি: সংগৃহীত

​রাজধানীকে একটি পরিচ্ছন্ন নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে উৎসস্থলে বর্জ্য পৃথকীকরণ (সোর্স সেগ্রিগেশন) কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)।

মঙ্গলবার (১২ মে) সকালে রাজধানীর গুলশানে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সবুজ ও হলুদ রঙের পৃথক বর্জ্য বিন এবং পলিব্যাগ বিতরণের মাধ্যমে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।

​অনুষ্ঠানে জানানো হয়, জনসমাগম বেশি হয় এমন স্থানগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রাথমিক পর্যায়ে মসজিদ, মন্দির, গির্জা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মার্কেট ও বাস টার্মিনালগুলোতে বিন বিতরণ করা হচ্ছে। প্রথম ধাপে মোট ৫০০টি ফাইবার বিন বিতরণ করা হচ্ছে, যার মধ্যে ২৫০টি সবুজ এবং ২৫০টি হলুদ। প্রতিটি বিনের সঙ্গে দেওয়া হচ্ছে ১০০টি করে পলিব্যাগ। ডিএনসিসির ১০টি জোনে পর্যায়ক্রমে এই কার্যক্রম পরিচালিত হবে। বিনে সংযুক্ত নির্দেশনামূলক লেবেলে কোন বর্জ্য কোথায় ফেলতে হবে, তা স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে। সবুজ বিনে রান্নাঘরের উচ্ছিষ্ট, শাকসবজি ও ফলের খোসা, মাছ-মাংসের বর্জ্য, পাতা-ঘাস এবং চা পাতার মতো জৈব ও পচনশীল বর্জ্য ফেলতে হবে। হলুদ বিনে প্লাস্টিক বোতল, কাগজ, কার্টন, কাচ, টিন ও ধাতব ক্যানের মতো অজৈব ও পুনর্ব্যবহারযোগ্য বর্জ্য এই বিনে জমা করতে হবে।

​অনুষ্ঠানে ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন, পরিচ্ছন্ন নগর গড়তে হলে প্রতিটি নাগরিককে দায়িত্বশীল হতে হবে। বর্জ্য রাস্তায় না ফেলে ডাস্টবিনে ফেলার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

তিনি আরও জানান, সোসাইটি, মসজিদ কমিটি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এই সচেতনতা ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া হবে।

​

​অনুষ্ঠানে বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফেরাতে কিছু জরুরি নির্দেশনা দেওয়া হয়। ভেজা ও শুকনো বর্জ্য কোনোভাবেই একসঙ্গে মেশানো যাবে না। ধারাল বা ঝুঁকিপূর্ণ বর্জ্য আলাদাভাবে রাখতে হবে। বিনের ঢাকনা সবসময় বন্ধ রাখতে হবে। রাস্তা, ড্রেন বা খোলা স্থানে বর্জ্য ফেলা থেকে বিরত থাকতে হবে।