বিচারকের বাসার সামনে ও কলাবাগানে ককটেল বিস্ফোরণ, গ্রেপ্তার ৪

রাজধানীর কলাবাগানে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারক মঞ্জুরুল বাছিদের বাসার সামনে একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। একই সময়ে কলাবাগান বাসস্ট্যান্ড এলাকাতেও তিনটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় দুর্বৃত্তরা। পৃথক দুই ঘটনায় এলাকাটিতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়দের সহায়তায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে বিচারক মঞ্জুরুল বাছিদ জুমার নামাজের উদ্দেশ্যে বাসা থেকে বের হওয়ার ঠিক আগে তার বাসার সামনে এ ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। পুলিশ জানায়, সেখানে অন্তত চার থেকে পাঁচটি ককটেল বিস্ফোরিত হয়। পরে ঘটনাস্থল থেকে অবিস্ফোরিত আরও তিনটি ককটেল উদ্ধার করে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট তা নিষ্ক্রিয় করে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রমনা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) শেখ জাহিদুল ইসলাম জানান, বিচারকের বাসার সামনে চার থেকে পাঁচটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থল থেকে অবিস্ফোরিত তিনটি ককটেল উদ্ধার করার পর বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট তা নিষ্ক্রিয় করে। এ ঘটনায় পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় জনতার সহায়তায় চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এদিকে শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে কলাবাগান বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পরপর তিনটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় দুর্বৃত্তরা। বিকট শব্দে বিস্ফোরণের পর পথচারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং অনেকে দিকবিদিক ছোটাছুটি শুরু করেন।
খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে এলাকাটি ঘিরে ফেলে এবং আশপাশে তল্লাশি চালায়। তল্লাশিকালে আরও তিনটি ককটেল উদ্ধার করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পর পুলিশ যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করে।
বিচারক মঞ্জুরুল বাছিদের ছেলে মাহমুদুল বাসিত সাংবাদিকদের জানান, জুমার নামাজের ঠিক আগমুহূর্তে তাদের ধানমন্ডির বাসার সামনে দুর্বৃত্তরা তিনটি ককটেল নিক্ষেপ করে। এর মধ্যে দুটি বিস্ফোরিত হয়েছে এবং একটি অবিস্ফোরিত।
কলাবাগান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফজলে আশিক বলেন, দুর্বৃত্তরা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় তিনটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আশপাশে তল্লাশি চালায়। পরবর্তীতে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে।
পৃথক এ দুই ঘটনায় কারা জড়িত এবং কী উদ্দেশ্যে বিস্ফোরণগুলো ঘটানো হয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
