ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে ইনকিলাব মঞ্চের অবস্থান কর্মসূচি

শহীদ ওসমান হাদি হত্যার সুষ্ঠু বিচার ও জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে রাজধানীর শাহবাগে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন শুরু করেছে ইনকিলাব মঞ্চ। একইসঙ্গে দ্বিতীয় দিনের মতো প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনেও চলছে অবস্থান কর্মসূচি।
শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে ব্যারিকেড দিয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে পুলিশ সদস্যরা। পাশাপাশি যমুনার উভয় পাশের সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
যমুনার সামনে রয়েছেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবেরের নেতৃত্বে ১৪ থেকে ১৫ জন এবং হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে প্রায় ৮০ থেকে ৯০ জন আন্দোলনকারী অবস্থান করছেন।
এদিকে সকালে ৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে ঢাকার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জড়ো হন বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের সরকারি চাকরিজীবীরা। সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে তারা মিছিল নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সরকারি বাসভবন যমুনার দিকে যাত্রা শুরু করেন।
এরপর বেলা ১১টার দিকে মিছিলটি হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের পাশের সড়কে পৌঁছালে পুলিশ ব্যারিকেড দেয়। আন্দোলনকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে সামনে এগোতে চাইলে পুলিশ বাধা দেয়। এ সময় উভয়পক্ষের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়, যা পরে সংঘর্ষে রূপ নেয়। দফায় দফায় লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে দুপুর ১টার দিকে তাদের যমুনার সামনে থেকে সরিয়ে দেয় পুলিশ।
এর আগে, বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে শহীদ ওসমান হাদি হত্যার সুষ্ঠু বিচার এবং জাতিসংঘের অধীনে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন সংগঠনটির নেতারা ও নিহতের পরিবার।
ওই কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের, শহীদ ওসমান হাদির স্ত্রী রাবেয়া ইসলাম শম্পা এবং ডাকসু নেত্রী ফাতিমা তাসনিম জুমা। তাদের দাবি, জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে তদন্তের সুনির্দিষ্ট ঘোষণা এবং প্রধান উপদেষ্টার আশ্বাস না পাওয়া পর্যন্ত তারা তাদের অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন।
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্ববায়ক ওসমান হাদি রাজধানীর বিজয়নগরে গুলিবিদ্ধ হওয়ার ছয় দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিঙ্গাপুরে মারা যান।