logo

মহাখালী টার্মিনালে যানজট কমাতে ডিপোতে পাঠানো হচ্ছে অপেক্ষারত বাস

এশিয়া পোস্ট প্রতিবেদক
এশিয়া পোস্ট প্রতিবেদক
মহাখালী টার্মিনালে যানজট কমাতে ডিপোতে পাঠানো হচ্ছে অপেক্ষারত বাস
টার্মিনাল এলাকায় তদারকি করেন ডিসি মো. তারেক জুবায়ের। ছবি : এশিয়া পোস্ট

মহাখালী বাস টার্মিনাল-কেন্দ্রিক দীর্ঘদিনের যানজট নিরসন ও সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে মাঠে নেমেছে ট্রাফিক পুলিশ এবং পরিবহন মালিক-শ্রমিক সংগঠন। এখন তিন থেকে পাঁচ ঘণ্টা যে বাসগুলো অবস্থান করে, সেসব বাস ৩০০ ফিটের নতুন বাস ডিপোতে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টা থেকে টার্মিনাল এলাকায় এ যৌথ কার্যক্রম ও তদারকি পরিচালনা করা হয়।

ইতোমধ্যে মহাখালীর যানজট নিরসনে সরকারের একটি বিশেষ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ৩০০ ফিট এলাকায় একটি আধুনিক বাস ডিপো প্রস্তুত করা হয়েছে।

সেখান থেকে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা তদারকি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক-গুলশান বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মো. তারেক জুবায়ের সার্বিক পরিস্থিতি ও অগ্রগতি তুলে ধরেন।

তিনি জানান, মহাখালী টার্মিনালকে যানজটমুক্ত রাখতে দীর্ঘ সময় বাস ফেলে রাখার সুযোগ বন্ধ করা হয়েছে। তিন থেকে পাঁচ ঘণ্টা যে বাসগুলো অবস্থান করত, সেগুলোকে টার্মিনালে অবস্থান করতে দেওয়া হচ্ছে না। এসব বাস সরাসরি পূর্বাচল ৩০০ ফিটের নতুন বাস ডিপোতে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে সড়কে কোনো অবস্থায়ই বাসের ‘দ্বিতীয় সারি’ (সেকেন্ড লাইন) করতে দেওয়া হচ্ছে না, যাতে গণপরিবহন ও সাধারণ যানবাহন সবসময় চলমান থাকে।

প্রকল্পটির সার্বিক অগ্রগতি নিয়ে ডিসি জুবায়ের বলেন, এটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর একটি অন্যতম 'ড্রিম প্রজেক্ট'। মাননীয় কমিশনার স্যার এবং অতিরিক্ত কমিশনার আনিস স্যার প্রতিনিয়ত এই কার্যক্রম তদারকি করছেন। সড়কটি এখন অনেকটাই যানজটমুক্ত। প্রধানমন্ত্রী নিজেও সচিবালয়ে আসা-যাওয়ার ক্ষেত্রে এই সড়ক ব্যবহার করছেন এবং ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রশংসা করেছেন। এর ফলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ অনেকটাই কমে এসেছে।

সড়কে দীর্ঘদিনের অনিয়মকে নিয়মে ফেরানোর বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, একসময় অনিয়মটাই যেন নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছিল। আমরা সেই চর্চা থেকে বেরিয়ে এসে আইনের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর একটি ইতিবাচক অভ্যাস গড়ে তোলার চেষ্টা করছি। চালকরা যেন যত্রতত্র যাত্রী না তোলেন এবং আইন মেনে চলেন, সেই অভ্যাস তৈরি হতে কিছুটা সময় লাগলেও পুলিশ ও মালিক পক্ষের যৌথ প্রচেষ্টায় আমরা শতভাগ সফল হব।

মহাখালী বাস টার্মিনালে সার্বিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই যৌথ তদারকি ও সচেতনতামূলক অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে ট্রাফিক পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে।