logo

ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশনে উপচেপড়া ভিড়, সেনাবাহিনী মোতায়েন

ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশনে উপচেপড়া ভিড়, সেনাবাহিনী মোতায়েন

কিউআর কোডভিত্তিক ‘ফুয়েল পাস’ সেবা চালুর দ্বিতীয় দিনেই রাজধানীর তেজগাঁওয়ের ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশনে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রাহকরা। অতিরিক্ত চাপ ও বিশৃঙ্খলা সামাল দিতে সেখানে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সরেজমিনে দেখা যায়, অন্য দিনের তুলনায় স্টেশনটিতে অস্বাভাবিক ভিড়। একমুখী লাইনের নির্দেশনা থাকলেও বাস্তবে একাধিক লাইনে দাঁড়িয়ে পড়েন গ্রাহকরা, ফলে উভয় দিক থেকেই জ্বালানি সরবরাহ দিতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে।

লাইনে দাঁড়ানো ভুক্তভোগী আল আমিন জানান, বেলা ১১টার দিকে সেনাবাহিনী এসে ‘ফুয়েল পাস’ধারীদের জন্য আলাদা লাইন তৈরি করে। তবে এতে সুবিধার বদলে ভোগান্তিই বেড়েছে। বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থেকেও এখনও তেল পাইনি।

একই অভিযোগ করেন আরেক গ্রাহক রাবিত রাইহান তুর্জ। তিনি বলেন, ‘ফুয়েল পাস’ দেখিয়ে আলাদা লাইনে দাঁড় করানো হলেও দীর্ঘ সময়েও ওই লাইনে তেল দেওয়া শুরু হয়নি। তাহলে আমাদের আলাদা করে দাঁড় করানো হলো কেন?

সকাল ৮টা থেকে লাইনে থাকা শফিকুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ৯-১০ ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকেও তেল পাচ্ছি না। অন্যদিকে ‘ফুয়েল পাস’ ধারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। আমাদের অপরাধ কী?

এ বিষয়ে পাম্পটির প্রজেক্ট ডিরেক্টর লেফটেন্যান্ট কর্নেল রিয়াজ বলেন, ফুয়েল পাস সরকারের একটি পাইলট প্রকল্প। বাইকচালকদের মধ্যে এ নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এ কারণে স্বাভাবিক দিনের তুলনায় আজ চাপ অনেক বেশি।

দেশের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ, আধুনিক এবং শৃঙ্খলাবদ্ধ করতে কিউআর কোডভিত্তিক ‘ফুয়েল পাস’ চালু করেছে সরকার। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) প্রাথমিকভাবে রাজধানীর দুটি ফিলিং স্টেশনে তেজগাঁওয়ের ট্রাস্ট ফিলিং স্টেশন ও আসাদগেটের সোনার বাংলা ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেলের জ্বালানি সরবরাহে পরীক্ষামূলকভাবে এই সেবা চালু করেছে।

তবে বাস্তবায়নের শুরুতেই এমন ভোগান্তি নতুন এই উদ্যোগের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে ভুক্তভোগীদের মধ্যে।