আরও ৪ শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ গ্রেপ্তার শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে

রাজধানীর রামপুরায় মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ ও আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে গ্রেপ্তার মো. শিহাব হোসেনে বিরুদ্ধে আরও চার শিশু ছাত্রকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ অভিযোগে তার নামে মামলাও ছিল।
পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ জানায়, শিহাব হোসেনের বিরুদ্ধে ইতোপূর্বে মাদ্রাসার চার ছাত্রের ওপর যৌন নিপীড়নের অভিযোগ রয়েছে। এ কারণে মাদ্রাসার তরফে তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।
এর আগে মঙ্গলবার রাতে রামপুরার বনশ্রী সি-ব্লকে আলোকিত কোরআন ইন্টারন্যাশনাল হিফজ মাদ্রাসা থেকে গামছা দিয়ে ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ১০ বছর বয়সী শিশু আব্দুল্লাহর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
বুধবার (২০ মে) রাতে পাবনার বেড়া থানার খাকছাড়া গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানান পুলিশের মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ।
উপকমিশনার হারুন অর রশিদ বলেন, ‘লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুতের সময় পায়ুপথে অস্বাভাবিক যৌনাচারের লক্ষণ দেখা যায়। পরে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া যায়।’
ধর্ষণ ও আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে তার মা বুধবার রামপুরা থানায় শিহাব ও নাম না জানা আরও কয়েকজনকে আসামি করে একটি মামলা করেন বলে জানান তিনি।
গ্রেপ্তার শিহাবের বিরুদ্ধে আগে থেকে যৌনাচারের অভিযোগ ও মামলা থাকার পরও কেন তাকে মাদ্রাসায় রাখা হলো, এ নিয়ে তদন্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন ডিএমপি উপকমিশনার ও মিডিয়া সেলের প্রধান এন এম নাসিরউদ্দিন।
এদিকে ধর্ষণ ও আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় গ্রেপ্তার শিক্ষার্থীকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (২১ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবুজ্জামান মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
প্রসিকিউশন পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আবুল কালাম আজাদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
