কাগজের কারখানায় যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

রাজধানীর বাড্ডা থানার মেরুল বাড্ডা এলাকায় একটি কাগজের কারখানায় গলায় রশি পেঁচানো অবস্থায় সুমন (২০) নামের এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি ওই কারখানার কর্মচারী ছিলেন।
সোমবার (১১ মে) সকাল ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে সহকর্মীরা তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক সকাল ১০টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।
কারখানার মালিক মো. আল-আমিন জানান, তার কারখানায় বই, খাতা ও কার্টুন তৈরির কাজ হতো। তিনি সারা রাত কাজ শেষে সকালে সুমনকে কারখানায় রেখে বাসায় চলে যান। পরে খবর পেয়ে জানতে পারেন, কারখানার বাঁশের আড়ার সঙ্গে রশি পেঁচিয়ে সুমন আত্মহত্যা করেছেন।
তিনি আরও জানান, অচেতন অবস্থায় সুমনকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। কী কারণে সুমন আত্মহত্যা করেছেন, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন। তবে তার মাদক সেবনের অভ্যাস ছিল বলে জানতে পেরেছেন। সুমনের আরেক ভাইও একই কারখানায় কাজ করতেন।
নিহত সুমনের গ্রামের বাড়ি বগুড়া জেলার নন্দীগ্রাম থানার পাশসুর গ্রামে। তিনি রিকশাচালক প্রশান্তের ছেলে। বর্তমানে মেরুল বাড্ডার ১৭ নম্বর রোডের ডিআইডি প্রজেক্ট এলাকার ২৬ নম্বর প্লটে অবস্থিত আল-আমিন স্টোর কাগজের কারখানায় থাকতেন। দুই ভাইয়ের মধ্যে সুমন ছিলেন ছোট।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে অবগত করা হয়েছে।