logo

স্টেট ইউনিভার্সিটি শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনে স্মার্ট রিসাইক্লিং

স্টেট ইউনিভার্সিটি শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনে স্মার্ট রিসাইক্লিং
‘রিসাইক্লিং ইউজিং ইন্ডাস্ট্রি ৪.০ টেকনোলজিস’ শীর্ষক পোস্টার প্রেজেন্টেশনে স্টেট ইউনিভার্সিটি শিক্ষার্থীরা। ছবি: বিশ্ববিদ্যালয় সৌজন্যে

পরিবেশ সুরক্ষা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং টেকসই উন্নয়নে প্রযুক্তির কার্যকর প্রয়োগের লক্ষ্যে ‘রিসাইক্লিং ইউজিং ইন্ডাস্ট্রি ৪.০ টেকনোলজিস’ শীর্ষক পোস্টার প্রেজেন্টেশনের আয়োজন করেছে স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের (এসইউবি) কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ।

গত সোমবার (২ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা টাওয়ারের সামনের উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি), রোবোটিকস এবং ডেটা অ্যানালিটিকসের মতো ইন্ডাস্ট্রি ৪.০ প্রযুক্তি ব্যবহার করে কীভাবে রিসাইক্লিং প্রক্রিয়াকে আরও স্মার্ট, কার্যকর ও পরিবেশবান্ধব করা যায়, সে বিষয়ে তাদের উদ্ভাবনী ধারণা ও প্রকল্প উপস্থাপন করেন।

শিক্ষার্থীদের উপস্থাপিত প্রকল্পগুলোতে পরিবেশদূষণ হ্রাস, বর্জ্যের কার্যকর ব্যবস্থাপনা, সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার এবং রিসাইক্লিং প্রক্রিয়ায় আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগের বিভিন্ন সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা শ্রেণিকক্ষের তাত্ত্বিক জ্ঞানকে বাস্তব জীবনের পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রয়োগের সুযোগ পান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথি ও বিচারকরা বলেন, ইন্ডাস্ট্রি ৪.০ প্রযুক্তির যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে দায়িত্বশীল রিসাইক্লিং ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং পরিবেশবান্ধব ভবিষ্যৎ বিনির্মাণ সম্ভব। উদ্ভাবন ও টেকসই উন্নয়নের সমন্বয়ই একটি সবুজ ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তোলার পথকে আরও সুগম করবে।

এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ অভিজ্ঞতাভিত্তিক শিক্ষা, গবেষণামুখী কার্যক্রম এবং উদ্ভাবনী চিন্তাচর্চাকে উৎসাহিত করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে তরুণ প্রজন্মকে প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান উদ্ভাবনে সম্পৃক্ত করার ক্ষেত্রেও এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ বিশ্বাস করে, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের সমন্বয়ে শিক্ষার্থীরাই গড়ে তুলতে পারে আগামী দিনের আরও সবুজ, টেকসই ও পরিবেশবান্ধব বিশ্ব।