উত্তরা ইউনিভার্সিটিতে ‘সিআরটি প্রপোজাল ডিফেন্স ২০২৬’ অনুষ্ঠিত

উত্তরা ইউনিভার্সিটির সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিংয়ের (সিআরটি) উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী বার্ষিক গবেষণা প্রকল্প প্রস্তাবনা উপস্থাপন কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সিআরটির নিজস্ব উদ্যোগে ‘গবেষণায় উৎকর্ষের প্রদর্শনী: সিআরটি প্রপোজাল ডিফেন্স ২০২৬’ শীর্ষক এই আয়োজনটি ২২ ও ২৩ এপ্রিল বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত হয়।
এবারের আয়োজনে বিজ্ঞান, প্রকৌশল, সামাজিক বিজ্ঞান এবং মানবিক অনুষদের বিভিন্ন উন্নত ও উদ্ভাবনী বিষয়ের ওপর মোট ৪০টি গবেষণা প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন ৫৫ জন গবেষক। বরাবরের মতই এবারও অংশগ্রহণকারী গবেষকদের জন্য তাদের গবেষণার উদ্দেশ্য, পদ্ধতি এবং নিজ নিজ ক্ষেত্রে সম্ভাব্য অবদান তুলে ধরার এক অনন্য প্ল্যাটফর্ম ছিল এই আয়োজন।
গবেষণাগুলোর গুণমান ও প্রাতিষ্ঠানিক মানদণ্ড নিশ্চিত করতে দেশের ১৮টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৫ জন (২৪ জন বাইরের এবং ২১ জন অভ্যন্তরীণ) বিশিষ্ট অধ্যাপক ও বিশেষজ্ঞ পর্যালোচক হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। তারা প্রতিটি প্রস্তাবনার ওপর গঠনমূলক আলোচনা ও দিকনির্দেশনা প্রদান করেন, যা গবেষণার মান বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে, উত্তরা ইউনিভার্সিটির মূলমন্ত্র ‘উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় উৎকর্ষ’-এর সঙ্গে সংগতি রেখে সিআরটি গবেষণা সংস্কৃতি, সহযোগিতা এবং আন্তঃবিভাগীয় সম্পৃক্ততাকে আরও শক্তিশালী করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।
সমাপনী অধিবেশনে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়াসমীন আরা লেখা অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য রাখেন। তিনি গবেষকদের উদ্ভাবনী চিন্তা, গবেষণায় নৈতিকতা এবং একাডেমিক উৎকর্ষ বজায় রাখার আহ্বান জানান। দুই দিনব্যাপী এই কর্মসূচির সমাপ্তির আগে গুরুত্বপূর্ন গবেষণা পরিচালনা এবং বৃহত্তর একাডেমিক ক্ষেত্রে গবেষকদের আরো বড় অবদান রাখার নতুন অঙ্গীকার নিয়ে অনুষ্ঠানের শেষ হয়।
অনুষ্ঠানটির উদ্বোধন করেন ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাশিউরেন্স সেলের (আইকিউএসি) পরিচালক অধ্যাপক ড. এ এস এম শাহাবুদ্দিন। তিনি তার বক্তব্যে একাডেমিক সততা ও উদ্ভাবন নিশ্চিত করতে গবেষণার কঠোর মান বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
উদ্বোধনী অধিবেশনে আরও উপস্থিত ছিলেন সিআরটির পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সুলতানুল ইসলাম, সহযোগী পরিচালক ড. সালেহ আহমদ, কার্যনির্বাহী সদস্য ড. নিলুফার ইয়াসমিন তানিশা ও ড. কাজী সিরাজুল ইসলাম এবং জাবেদ হোসেন ইমনসহ উচ্চশিক্ষার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা।