logo

নেচার ইনডেক্সে নতুন সাফল্য, আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সে দেশের শীর্ষ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইউআইইউ

নেচার ইনডেক্সে নতুন সাফল্য, আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সে দেশের শীর্ষ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইউআইইউ
ছবি : সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক গবেষণা মূল্যায়ন প্ল্যাটফর্ম নেচার ইনডেক্স ইনস্টিটিউশনাল র‌্যাংকিং ২০২৬-এর আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি (ইউআইইউ)।

বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ এই র‌্যাংকিং শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞান ও স্বাস্থ্যবিষয়ক সাময়িকীতে প্রকাশিত গবেষণা প্রবন্ধের মান ও প্রভাবের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়। ২০২৫ সালের ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রকাশিত গবেষণাকর্মের ওপর ভিত্তি করে এবারের মূল্যায়ন সম্পন্ন হয়েছে।

র‌্যাংকিং অনুযায়ী, আর্থ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স ক্যাটাগরিতে দেশের সব ধরনের গবেষণা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে ইউআইইউর অবস্থান দশম। একই সঙ্গে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে অষ্টম এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে প্রথম স্থান অর্জন করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছে, এই অর্জন গবেষণা, উদ্ভাবন এবং আন্তর্জাতিক মানের উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ইউআইইউর দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টার স্বীকৃতি।

প্রতিষ্ঠানটি শুরু থেকেই গবেষণাভিত্তিক শিক্ষা, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং উদ্ভাবনী চিন্তাকে গুরুত্ব দিয়ে আসছে। বিশেষ করে ইউআইইউর স্কুল অব হিউম্যানিটিজ অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেস এবং এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (ইডিএস) বিভাগের গবেষকদের ধারাবাহিক কাজ এই সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

পরিবেশ বিজ্ঞান ও ভূ-বিজ্ঞান সংশ্লিষ্ট গবেষণায় নিয়োজিত গবেষক দলের নিরলস প্রচেষ্টার ফল হিসেবেই এই আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি এসেছে বলে মনে করছে বিশ্ববিদ্যালয়টি।

ইউআইইউ নিয়মিতভাবে গবেষণা অবকাঠামো উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক গবেষণা সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং উচ্চমানের গবেষণা প্রকাশনায় বিনিয়োগ করে আসছে। ফলে বৈশ্বিক গবেষণা অঙ্গনে বিশ্ববিদ্যালয়টির উপস্থিতি আরও শক্তিশালী হচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, এই অর্জন শুধু ইউআইইউর জন্যই নয়, বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা খাতের জন্যও একটি ইতিবাচক বার্তা। আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা কার্যক্রমে দেশের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক পরিসরে বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করতে এ ধরনের সাফল্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।