logo

এমজিআইয়ের অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে ২ লাখ গাছের চারা রোপণ

এমজিআইয়ের অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে ২ লাখ গাছের চারা রোপণ
ছবি: মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের সৌজন্যে

পরিবেশ সুরক্ষা ও টেকসই শিল্পায়নের অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের (এমজিআই) অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে দুই লাখ গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে। এর অংশ হিসেবে গত ১ অক্টোবর কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার সোনাচরে অবস্থিত কুমিল্লা ইকোনমিক জোনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন করে কোরিয়া বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (কেবিসিসিআই)।

কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রদূত কিম জি জুন এবং কেবিসিসিআই সভাপতি শাহাব উদ্দিন খান। অনুষ্ঠানে নেতৃত্ব দেন কেবিসিসিআইয়ের উপদেষ্টা এবং এমজিআইয়ের চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোস্তফা কামাল।

ঢাকা থেকে আসা অতিথিরা বহরে করে কুমিল্লা ইকোনমিক জোনে পৌঁছালে তাদের স্বাগত জানান মোস্তফা কামাল। পরে অতিথিরা ইকোনমিক জোনের নির্ধারিত স্থানে গাছের চারা রোপণ করেন।

মোস্তফা কামাল বলেন, কোরিয়ান বন্ধু ও কেবিসিসিআইয়ের সদস্যদের কুমিল্লা ইকোনমিক জোনে পেয়ে তারা সম্মানিত। সবুজায়নের এই উদ্যোগ দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পরিবেশ, দেশ ও মানুষের প্রতি সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে এমজিআই পরিবেশ সুরক্ষায় এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে।

এমজিআইয়ের কুমিল্লা ইকোনমিক জোনের পাশাপাশি আরও তিনটি অর্থনৈতিক অঞ্চল রয়েছে। এগুলো হলো মেঘনা ইকোনমিক জোন, মেঘনা ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইকোনমিক জোন এবং তিতাস ইকোনমিক জোন।

বাংলাদেশে নিযুক্ত কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রদূত কিম জি জুন বলেন, এখানে রোপণ করা প্রতিটি গাছ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি অঙ্গীকার।

কেবিসিসিআই সভাপতি শাহাব উদ্দিন খান বলেন, অর্থনৈতিক অগ্রগতি ও পরিবেশ সুরক্ষা পাশাপাশি চলতে হবে।

অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া অতিথিরা ২০২৪ সালে রোপণ করা গাছগুলোও পরিদর্শন করেন। পরে তারা কুমিল্লা ইকোনমিক জোনের বিভিন্ন স্থাপনা ঘুরে দেখেন।

কর্মসূচিতে বাংলাদেশে নিযুক্ত কোরিয়া প্রজাতন্ত্রের দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং বাংলাদেশ ও কোরিয়ার ব্যবসায়ী নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ এন্টারপ্রাইজ ইনস্টিটিউটের সভাপতি রাষ্ট্রদূত ফারুক সোবহান।

দিনের কর্মসূচিতে স্মারক ফটোসেশন এবং বাংলাদেশ ও কোরিয়ার অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে অনানুষ্ঠানিক মতবিনিময়ও অনুষ্ঠিত হয়।

মোস্তফা কামাল বলেন, শিল্পের প্রবৃদ্ধি এমন হওয়া উচিত, যাতে আমরা যে ভূমি পেয়েছি, তার চেয়ে আরও সবুজ করে রেখে যেতে পারি। এই উদ্যোগে রোপণ করা গাছগুলো বাংলাদেশ ও কোরিয়ার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ও অংশীদারত্বের প্রতীক হয়ে থাকবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

কেবিসিসিআইয়ের পক্ষ থেকে আশা প্রকাশ করা হয়, এই উদ্যোগ অন্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে সবুজায়ন কার্যক্রমে অংশ নিতে উৎসাহিত করবে। একই সঙ্গে এটি বাংলাদেশ ও কোরিয়ার বন্ধুত্ব ও অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখবে।