ইউআইইউতে টেকসই পরিবেশ উন্নয়ন বিষয়ক ইয়ুথ সিম্পোজিয়াম অনুষ্ঠিত

ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে (ইউআইইউ) ‘ইয়ুথ সিম্পোজিয়াম অন এনভায়রনমেন্ট, ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি’ শীর্ষক সিম্পোজিয়াম অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (ইডিএস) বিভাগ ও ইউআইইউ ইডিএস ক্লাব এর আয়োজন করে।
টেকসই উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ এবং নীতিনির্ধারণী বিষয়ে যুবসমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে মঙ্গলবার (১৯ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে দিনব্যাপী এই সিম্পোজিয়ামের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশে অবস্থিত জার্মান দূতাবাসের ডেভেলপমেন্ট কোঅপারেশন বিভাগের প্রধান উলরিখ ক্লেপম্যান। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউএনডিপি, বাংলাদেশের কমিউনিকেশন বিভাগের প্রধান মো. আব্দুল কাইয়ুম এবং ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশের সেন্টার ফর সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্টের (সিএসডি) ভিজিটিং রিসার্চ ফেলো ড. হাসিব মো. ইরফানুল্লাহ। এতে স্বাগত বক্তব্য দেন ইউআইইউ এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (ইডিএস) বিভাগের প্রধান ড. শান্তনু সাহা এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ইউআইইউর স্কুল অব হিউম্যানিটিস অ্যান্ড সোস্যাল সায়েন্সেসের ডিন প্রফেসর ড. হামিদুল হক ।
সিম্পোজিয়ামে ডেভেলপমেন্ট সেক্টরে ক্যারিয়ার বিষয়ক সেশন এবং পলিসি অ্যান্ড গভর্ন্যান্স বিষয়ক কর্মশালা পরিচালনা করেন ফ্রেন্ডশিপের ইয়ুথ পোর্টফোলিও লিড মিস কিংবাদান্তি সাবির, আইসিসিসিএডির ইয়ুথ অ্যান্ড জেন্ডার প্রোগ্রাম ম্যানেজার মিস সুমাইয়া বিনতে সেলিম সুধা, ফুটস্টেপস এনজিওর প্রতিষ্ঠাতা ও ফোর্বস ৩০ আন্ডার ৩০ শাহ রাফায়াত চৌধুরী, জিওক্যালের কান্ট্রি ডিরেক্টর শাহ আদনান মাহমুদ, বহ্নিশিখা-আনলার্ন জেন্ডারের ক্লাইমেট চেঞ্জ প্রোগ্রাম ডিরেক্টর মিস আনিকা করিম, ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশের কো-অর্ডিনেটর শরীফ জামিল এবং আমাল ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক মিস ইসরাত করিম।
আয়োজকরা জানান, অনুষ্ঠানে তরুণদের অ্যাকাডেমিক শিক্ষা ও উন্নয়ন খাতের বাস্তব অভিজ্ঞতার মধ্যে কার্যকর সেতুবন্ধন গড়ে তুলতে বিভিন্ন ইন্টারেক্টিভ কর্মশালা, প্যানেল আলোচনা, নেটওয়ার্কিং সেশন এবং উন্মুক্ত সংলাপের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বর্তমান পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা, পরিবেশ সুরক্ষা এবং উন্নয়ন খাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যুবকদের দায়িত্ব ও ভূমিকার গুরুত্ব বিস্তারিত তুলে ধরেন। তারা টেকসই ভবিষ্যৎ নির্মাণে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ইতিবাচক ও অর্থবহ পরিবর্তন আনতে তরুণ প্রজন্ম ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকর ভূমিকার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
