পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে ছিনিয়ে নেওয়া আ.লীগ নেতা গ্রেপ্তার

চুয়াডাঙ্গায় পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে হাতকড়াসহ ছিনিয়ে নেওয়া কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা আবু সিদ্দীককে (৭০) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার আবু সিদ্দীক চণ্ডীপুর গ্রামের মৃত তরিবত মণ্ডলের ছেলে। তিনি কুড়ুলগাছি ইউনিয়নের চণ্ডীপুর ২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি।
পুলিশ জানায়, বুধবার রাতে চণ্ডীপুর গ্রামের পূর্বপাড়া সর্বজনীন শ্রী শ্রী দুর্গা মন্দিরের সামনে সড়কে কয়েকজন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন—এমন সংবাদের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালায় দর্শনা থানা পুলিশ। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর সময় নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ নেতা আবু সিদ্দীককে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে পুলিশের ওপর হামলা চালিয়ে তাকে ছিনিয়ে নেয় পরিবারের সদস্যরা। হামলায় এলাকার বেশ কয়েকজনও যোগ দেন।
পুলিশের দাবি, হামলায় দুই পুলিশ সদস্য আহত হন। ওই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তিন নারীসহ আটজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার অন্য আসামিরা হলেন—একই গ্রামের লক্ষণ (৩৮), ফিরোজ হোসেন (১৯), ফরহাদ হোসেন (১৯), সোনালী হালদার (৩০), কণা রাণী (২৫), নাছিমা বেগম (৪০), আলম বাদশা (৫৫) ও ফুলন হালদার (৩২)।
অভিযানের সময় আসামিদের ফেলে যাওয়া বিভিন্ন মাপের নয়টি বাঁশের লাঠি ও দুটি হাসুয়া জব্দ করা হয়। পরে আবু সিদ্দীককে গ্রেপ্তারে সিআইডি ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)সহ পুলিশের একাধিক টিম অভিযান চালায়। অবশেষে দুপুরে চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার মেহেদী শাহরিয়ার বলেন, ওই ঘটনায় প্রচলিত আইনে দর্শনা থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় আবু সিদ্দীকসহ মোট নয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিকেলে গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।