logo

আ.লীগ কার্যালয়ের ধ্বংসস্তূপে এবার জেলা প্রশাসনের সাইনবোর্ড

আ.লীগ কার্যালয়ের ধ্বংসস্তূপে এবার জেলা প্রশাসনের সাইনবোর্ড

রাজশাহী নগরীর কুমারপাড়ায় অবস্থিত মহানগর আওয়ামী লীগের পরিত্যক্ত ও ভাঙা দলীয় কার্যালয়ের জায়গায় ‘অর্পিত সম্পত্তি’র সাইনবোর্ড টাঙিয়েছে জেলা প্রশাসন।

সোমবার (৬ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জায়গাটিতে এই সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়। 

সাইনবোর্ডে উল্লেখ করা হয়েছে, জায়গাটি ‘ক’ তপশিলভুক্ত অর্পিত সম্পত্তি (ভেস্টেড অ্যান্ড নন-রেসিডেন্ট প্রপার্টি)। এতে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে সম্পত্তিটির ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছেন রাজশাহী জেলা প্রশাসক ও কালেক্টর।

জেলা প্রশাসনের টানানো সাইনবোর্ডে সম্পত্তিটির বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। এতে দেখা যায়, সম্পত্তিটি রাজশাহী জেলার বোয়ালিয়া থানার রামপুর মৌজায় অবস্থিত। এর জেএল নম্বর ১০, খতিয়ান নম্বর ১৮ এবং দাগ নম্বর ২৮১। জমির শ্রেণি ‘বাড়ি’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে এবং মোট পরিমাণ ০.৪৯৫৬ একর। এ ছাড়া ভিপি কেস নম্বর হিসেবে উল্লেখ রয়েছে ২/৭৬। 

এর আগে ২৫ মার্চ রাতের কোনো এক সময় কুমারপাড়া এলাকায় মহানগর আওয়ামী লীগের ভাঙা কার্যালয়ের জায়গায় ওপর ডা. দুর্জয় মৈত্রের নামে সাইনবোর্ড টানানো হয়। তিনি জমিটির ওয়ারিশ সূত্রে মালিক বলে ওই সাইনবোর্ডে দাবি করা হয়েছিল। ডা. দুর্জয় মৈত্র জেলা আওয়ামী লীগের মহিলাবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট পূর্ণিমা ভট্টাচার্যের ছেলে।

অ্যাডভোকেট পূর্ণিমা ভট্টাচার্য গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলন, তিনি ওই জমির মালিক। দীর্ঘদিন অন্যরা দখল করে রেখেছিল। ২০১৬ সালে নিম্ন আদালতে ও ২০১৮ সালে আপিলের রায় তার পক্ষে যায়। এরপর থেকে আওয়ামী লীগ অফিসের জন্য তাকে ভাড়া দেওয়া হয়েছে। 

তিনি আরও বলেন, ওই জমির মালিকানা তার ছেলের। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আওয়ামী লীগের অফিসটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। ফলে সেখানে তার ছেলে সাইনবোর্ড টানিয়েছেন। জমিটির মালিক তারা, এ সংক্রান্ত আদালতের কাগজপত্র তার কাছে আছে।