logo

বৃষ্টি না হলে বন্ধ হতে পারে কাপ্তাই বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন

বৃষ্টি না হলে বন্ধ হতে পারে কাপ্তাই বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন
কাপ্তাই হ্রদে পানির স্তর নেমে দাঁড়িয়েছে ৭৩ দশমিক ৯৯ এমএসএলে। ছবি : এশিয়া পোস্ট

তীব্র গরম ও বৃষ্টিপাতের ঘাটতির কারণে কাপ্তাই হ্রদের পানির স্তর ক্রমাগত কমে যাচ্ছে। পানি স্বল্পতার কারণে কাপ্তাই জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের তিনটি ইউনিটে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে।

বুধবার (১০ জুন) সকালে কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের পর্যাপ্ত পানির অভাবে সব ইউনিট চালানো সম্ভব হয়নি।

কেন্দ্রের কন্ট্রোল রুম সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে কাপ্তাই হ্রদে পানির স্তর থাকার কথা ছিল ৭৮ দশমিক ৮ মিনসি লেভেল (এমএসএল)। বর্তমানে হ্রদের পানি নেমে দাঁড়িয়েছে ৭৩ দশমিক ৯৯ এমএসএলে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ৬৮ এমএসএলকে বিপজ্জনক সীমা হিসেবে ধরা হয়। পানির স্তর ৬৮ এমএসএলে নেমে গেলে বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। কাপ্তাই হ্রদের সর্বোচ্চ পানি ধারণক্ষমতা ১০৯ এমএসএল।

অপরদিকে হ্রদে পানির স্তর কমে যাওয়ায় শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনই নয়, হ্রদনির্ভর মানুষের দুর্ভোগও বাড়ছে। বিশেষ করে বিলাইছড়ি, বরকল, জুরাছড়ি, লংগদু ও বাঘাইছড়ি উপজেলার নৌপথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। হ্রদের বিভিন্ন স্থানে চর জেগে ওঠায় নৌযান চলাচল বাধাগ্রস্ত হচ্ছে এবং স্থানীয়দের চলাচলে ভোগান্তি বাড়ছে।

এ বিষয়ে কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান এশিয়া পোস্টকে বলেন, গত দুই মাস ধরে বৃষ্টি না হওয়ায় উৎপাদন পাঁচটি ইউনিটের মধ্যে তিনটি ইউনিট বন্ধ রয়েছে। দুটি ইউনিট দিয়ে মাত্র ৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রটির মোট উৎপাদন সক্ষমতা ২৩০ মেগাওয়াট হলেও সব ইউনিট একসঙ্গে চালু থাকলে প্রায় ২৪০ মেগাওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব।