Advertisement

ভোলার বৃক্ষমেলায় ২৫ বছরের বনসাই দেখতে ভিড়

এশিয়া পোস্ট নিউজ, ভোলা
ভোলার বৃক্ষমেলায় ২৫ বছরের বনসাই দেখতে ভিড়
২৫ বছরের বনসাই দেখতে ভিড়। ছবি: এশিয়া পোস্ট

‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ভোলায় আয়োজিত সাত দিনব্যাপী বৃক্ষমেলা শেষ হয়েছে। সমাপনী দিনে বাহারি প্রজাতির ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের সমারোহ থাকলেও দর্শনার্থীদের সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ কাড়ে ২৫ বছর বয়সী একটি বনসাই গাছ।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিকেলে ভোলা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জেলা প্রশাসন ও উপকূলীয় বন বিভাগের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত মেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ভোলার জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান।

উপকূলীয় বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. আরিফুল হক বেলালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক আলহাজ গোলাম নবী আলমগীর, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সোহান সরকারসহ অনেকেই।

মেলায় সাতটি স্টলে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা প্রদর্শন ও বিক্রি করা হয়। প্রতিদিনই গাছপ্রেমী, ছাদবাগানপ্রেমী ও সাধারণ দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখর ছিল মেলা প্রাঙ্গণ। মেলায় অংশ নেওয়া ভোলার সুপরিচিত আওসান নার্সারির কর্ণধার জানান, ২৫ বছর ধরে পরিচর্যায় গড়ে তোলা বনসাই গাছটি ঘিরে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। ইতোমধ্যে এক ক্রেতা এক লাখ টাকা পর্যন্ত দাম প্রস্তাব করেছেন। তবে দেড় লাখ টাকার কমে গাছটি বিক্রি করা হবে না বলে তিনি জানান।

তিনি বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে বিশেষ পরিচর্যা, ছাঁটাই ও নান্দনিক আকার দেওয়ার মাধ্যমে বনসাইটি তৈরি করা হয়েছে। এ ধরনের বনসাই শুধু সৌন্দর্যের প্রতীক নয়; এটি ধৈর্য, শিল্প ও পরিচর্যার এক অনন্য উদাহরণ।

মেলা আয়োজকরা জানান, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং জনগণকে বৃক্ষরোপণে উদ্বুদ্ধ করাই ছিল এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য। সাত দিনের এ মেলায় বিভিন্ন গাছের প্রতি মানুষের আগ্রহ ও অংশগ্রহণ অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক ছিল।

সমাপনী দিনে দর্শনার্থীদের অনেকেই ২৫ বছর বয়সী সেই বনসাই গাছটির সঙ্গে ছবি তোলেন এবং এর পরিচর্যা ও মূল্য সম্পর্কে জানতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। আয়োজকদের আশা, এ ধরনের আয়োজন মানুষের মধ্যে বৃক্ষপ্রেম ও পরিবেশ সংরক্ষণে সচেতনতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বিষয় :