ঝালকাঠিতে ইভ্যালির রাসেল-শামীমার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ‘ইভ্যালি’ থেকে মোটরসাইকেল কিনতে টাকা পরিশোধের সাড়ে চার বছর পরও পণ্য বা অর্থ কোনোটিই ফেরত না দেওয়ার অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ রাসেল ও চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।
বুধবার (১২ আগস্ট) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইমাম হোসেন।
এর আগে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ঝালকাঠি সদর আমলি আদালতের বিচারক এ আদেশ দেন।
মামলার বাদী হাচিবুর রহমান রাজু ঝালকাঠি সদর উপজেলার পূর্ব চাঁদকাঠি এলাকার বাসিন্দা ও জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ১২ মার্চ ইভ্যালির অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে একটি ‘বাজাজ পালসার ১৫০ সিসি ডাবল ডিস্ক’ মোটরসাইকেল অর্ডার করেন হাচিবুর রহমান রাজু। এর তিন দিন পর ১৫ মার্চ ‘নগদ’-এর মাধ্যমে মোটরসাইকেলের মূল্য বাবদ ১ লাখ ৬ হাজার ৯৪০ টাকা পরিশোধ করেন তিনি।
তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মোটরসাইকেল সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয় ইভ্যালি। পরবর্তীতে ২০২১ সালের ৭ অক্টোবর স্থানীয় একটি শোরুম থেকে মোটরসাইকেল কেনার জন্য বাদীকে ১ লাখ ৭৪ হাজার টাকার একটি চেক প্রদান করে ইভ্যালি কর্তৃপক্ষ। চেকটি ব্যাংকে জমা দিলে বাদী জানতে পারেন সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাবটি ‘ফ্রিজ’ বা অবরুদ্ধ রয়েছে। এরপর ইভ্যালি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বারবার যোগাযোগ করেও পণ্য কিংবা পরিশোধিত অর্থ কোনোটিই ফেরত পাননি তিনি।
এ বিষয়ে বাদী হাচিবুর রহমান জানান, বিষয়টি আদালতের বাইরে মীমাংসার জন্য একাধিকবার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু অভিযুক্তরা অর্থ ফেরত না দেওয়ায় বাধ্য হয়েই তিনি প্রতারণার অভিযোগে আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইমাম হোসেন বলেন, আদালত অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা বিবেচনা করে ইভ্যালির এমডি মোহাম্মদ রাসেল ও চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন। পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী মামলা চলবে।
.png)


