logo
Advertisement

সার থাকার কথা ডিলারের কাছে, পাওয়া যাচ্ছে গোডাউনে: কৃষিমন্ত্রী

এশিয়া পোস্ট নিউজ
এশিয়া পোস্ট নিউজ
ফেনী, চট্টগ্রাম
সার থাকার কথা ডিলারের কাছে, পাওয়া যাচ্ছে গোডাউনে: কৃষিমন্ত্রী
ফেনীর ফুলগাজীতে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিন। ছবি: এশিয়া পোস্ট

দেশে বর্তমানে সারের কোনো সংকট নেই জানিয়ে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ ইয়াছিন বলেছেন, সার থাকার কথা ডিলারের ওখানে, কিন্তু সার পাওয়া যাচ্ছে অন্য গোডাউনে, যেখানে সার থাকার কথা নয়। আমাদের দেশে কিছু দুষ্ট লোক আছে, এদের কারণে দেশ, জাতি ও সমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ফেনীর ফুলগাজীতে আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জনসভাস্থল পরিদর্শনের সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, আমাদের নির্দিষ্ট পরিমাণ সার রিজার্ভ থাকে। সারা বছরের চাহিদা অনুযায়ী প্রতি মাসে সার জাহাজে এসে থাকে। ওইভাবে আমরা আমদানি করে থাকি। কোনো কোনো মাসে হয়তো কিছু কম থাকে, আবার কোনো মাসে চারগুণ বেশি থাকে। এখন এই মুহূর্তে সারের কোনো সংকট নেই।

তিনি বলেন, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে দেশের কৃষির চেহারা পাল্টে যাবে, দেশের কৃষিতে একটি বিপ্লব ঘটবে। ইতিপূর্বে সরকারের কাছে কৃষকদের কোনো প্রকৃত তথ্য ছিল না। কৃষিকাজের সাথে সরাসরি জড়িত কতজন কৃষক ধান চাষ করছেন, কতজন পেঁয়াজ চাষ করছেন ইত্যাদি কোনো ডেটাবেজ ছিল না। এটি থাকলে কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য ও ভোক্তাদের নানা ক্ষেত্রে সুবিধা হতো।

আমিন উর রশিদ বলেন, বর্তমানে দেশে আলুর কী পরিমাণ চাহিদা আছে এবং কী পরিমাণ আলু উৎপাদন হয়, সরকারের কাছে যদি এ তথ্য থাকে তবে কৃষক ও ভোক্তা সবাই লাভবান হবে। আর এ জন্যই কৃষি কার্ড প্রচলন চালু করা হয়েছে। কৃষক কার্ডের মাধ্যমে দেশের কৃষির চেহারা পাল্টে যাবে, দেশের কৃষিতে একটি বিপ্লব ঘটবে। সরকারের কাছে কৃষির একটি সঠিক পরিসংখ্যান থাকবে, যার মাধ্যমে বাজার চাহিদা বোঝা যাবে এবং দাম নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হবে। এতে ভোক্তা ও কৃষক কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।

তিনি বলেন, বহু বছর পর দেশে জনগণের ভোটে একটি নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় এসেছে। এজন্য দেশের নানা ক্ষেত্রে উন্নয়ন দৃশ্যমান হচ্ছে, কৃষক তার উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য দাম পেয়ে লাভবান হচ্ছেন। বর্তমান সরকার পেঁয়াজ সংরক্ষণে ভূমিকা রেখেছে বলে দেশে এখনো ১৫ হাজার মেট্রিক টন পেঁয়াজ মজুত আছে। দেশে পেঁয়াজের কোনো সংকট নেই, সংকট হবেও না। আগামীতে বাংলাদেশ পেঁয়াজ রপ্তানি করবে।

এ সময় কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. ইয়াসীন, কৃষি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আব্দুর রহিম, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাহবুবউল করিম, জেলা পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার, ফুলগাজী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কাওসার হামিদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সম্পাদক বেলাল হোসেন, সদস্য আবু তালেব, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফখরুল আলম স্বপন, সদস্য সচিব আবুল হোসেন ও সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম রসুল গোলাপ উপস্থিত ছিলেন।