ঝড়ে মহাসড়কে ভেঙে পড়েছে ১৫ গাছ, পাঁচ ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ

পাবনায় ঝড়বৃষ্টিতে ঢাকা-পাবনা মহাসড়কে অন্তত ১৫টি গাছ ভেঙে পড়েছে। এতে পাঁচ ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল। গাছগুলো সরিয়ে বর্তমানে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে। তবে গাছগুলো অপসারণের কাজ এখনও চলমান রয়েছে।
বুধবার (১৩ মে) দুপুর ২টার দিকে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এরপর থেকেই যান চলাচল ব্যাহত হওয়ায় কয়েক কিলোমিটারজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়। প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর সন্ধ্যা ৭টার দিকে যানজট মুক্ত হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাধপুর হাইওয়ে পুলিশের ওসি মোস্তাফিজুর রহমান।
হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুর ২টার পর হঠাৎ ঝোড়ো বাতাসের সঙ্গে বৃষ্টি শুরু হয়। এ সময় পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে ঢাকা-পাবনা মহাসড়কের আতাইকুলা পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় অন্তত ১৫টি গাছ ভেঙে সড়কে পড়ে। এতে দুই ঘণ্টারও বেশি সময় যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ ছিল। এরপর কিছু গাড়ি চলাচল করতে পারে। পাঁচ ঘণ্টা পর পুরোপুরি যান চলাচল শুরু হয়। এর ফলে দুই পাশে কয়েক কিলোমিটারজুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়।
মালিহা তাসলিমা নামে একজন বলেন, বিকেল ৩টার দিকে ঢাকা থেকে কুচিয়ামোড়ায় পৌঁছেছি। তিন ঘণ্টার মতো যানজটে থেকেছি। পরিবার নিয়ে ভোগান্তির শেষ ছিল না।
বাসচালক খোকন প্রমাণিক বলেন, প্রায় চার ঘণ্টা ধরে বাস নিয়ে রাজাপুর এলাকায় অবস্থান করেছি। ঘণ্টা দু-এক আগে যানজট মুক্ত হয়েছে। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ঝড় হয়েছে ২টার দিকে। কিন্তু পুলিশ এসেছে আসরের পর। যদি ফায়ার সার্ভিস আগে আসত, তাহলে অনেক আগেই রাস্তা পরিষ্কার হয়ে যেত।
পাবনা-মাধপুর হাইওয়ে পুলিশের ওসি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, প্রচণ্ড ঝড়বৃষ্টিতে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে ঢাকা-পাবনা মহাসড়কের আতাইকুলা পর্যন্ত বেশকিছু জায়গায় অনেক গাছ ভেঙে সড়কে পড়ে। ফলে দুপুর ২টার পর থেকে এ সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে ফায়ার সার্ভিস ও হাইওয়ে পুলিশ যৌথভাবে গাছ অপসারণ শুরু করে। প্রায় পাঁচ ঘণ্টা পর সন্ধ্যা ৭টার দিকে সড়ক ক্লিয়ার করা হয়। এরপর থেকে যান চলাচল শুরু হয়েছে।
তবে স্থানীয়দের সহযোগিতায় সড়কে ভেঙে পড়া গাছগুলো অপসারণের কাজ এখনো চলছে বলে জানান তিনি।